S Jaishankar: গালওয়ান অতীত ভুলে ভারত-চিন সম্পর্কে উন্নতি, সংসদে বিবৃতি বিদেশমন্ত্রীর
S Jaishankar: স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে লাদাখ সীমান্ত (Ladakh)। ভারত ও চিনের (India and China) সম্পর্কে সম্প্রতি উন্নতি হয়েছে। মঙ্গলবার লোকসভায় এমনটাই জানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। লাগাতার পারস্পারিক কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নত হয়েছে বলে এদিন জানালেন বিদেশমন্ত্রী।
২০২০ এর এপ্রিল থেকেই অবনতি হয়েছিল ভারত ও চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের। গত ৪৫ বছরে সেবারে প্রথমবার ভারতীয় সেনার (Indian Army) সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় লালফৌজ। পূর্ব লাদাখে (Eastern Ladakh) যুদ্ধের বলি হন দুদেশেরই জওয়ানরা। কিন্তু শান্তিপূর্ণ উপায়ে পারস্পারিক মতামত বিনিময়ের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধানের পক্ষে সওয়াল করেছে ভারত।

ভারতের অহরহ প্রচেষ্টার জেরেই আজ লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) থেকে লালফৌজ পিছু হটেছে বলে দাবি করেন জয়শঙ্কর। পিছিয়ে এসেছে ভারতীয় সেনাও। এদিন সংসদে বার্তা থেকে তিন লক্ষ্যের কথাও জানান জয়শঙ্কর।
প্রথমত, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরবার দুই দেশকেই সমঝে চলতে হবে বলে উল্লেখ করেন বিদেশমন্ত্রী। দ্বিতীয়ত তিনি বলেন, সীমান্তে স্থিতাবস্থা আসার পর কোনও একতরফা কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। তৃতীয়ত জয়শঙ্কর বলেন, পূর্বে গৃহীত একাধিক সিদ্ধান্ত ও চুক্তি মেনে চলবে ভারত ও চিন।
বক্তব্যের শুরুতেই এদিন জয়শঙ্করের মুখে উঠে আসে ২০২০-এর গালওয়ান সংঘর্ষের কথা। এরপর অতীতে গৃহীত একাধিক চুক্তির কথা সাল ধরে ধরে উল্লেখ করেন তিনি। দুই দেশের মধ্যে শান্তি বজায় রাখতে ভারত বারবার সদিচ্ছা প্রকাশ করেছে বলে দাবি করেন জয়শঙ্কর। কিন্তু ২০২০-এর সংঘর্ষের পর থেকেই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে আঘাত আসে।
বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, "গালওয়ানে সংঘর্ষ (Galwan Faceoff) এড়াতে যেমন পাল্টা সেনা মোতায়েন করেছিল ভারত, পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনাও চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।" গত নভেম্বরে লাদাখের দুই হটস্পট ডেমটক ও ডেপসাং এলাকায় এক রাউন্ড প্যাট্রোলিং সম্পন্ন করেছে ভারত ও চিন।
শান্তি বজায় রাখতে স্থানীয় কমান্ডার স্তরে আলোচনা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। দীপাবলীর অনুষ্ঠানেও দুই দেশের সেনাবাহিনীকে লাদাখে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গিয়েছিল। আর এবার সংসদে দাঁড়িয়ে খোদ বিদেশমন্ত্রীও জানিয়ে দিলেন, ভারত-চিন সম্পর্কে উন্নতি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications