কেন্দ্র বিধি লঙ্ঘন করেছে, সিএজি রিপোর্টে উল্লেখ
সরকারের বিরুদ্ধে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলল কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল। পাশাপাশি বাহ্যিক ঋণকে ২ লক্ষ কোটি টাকা কম করে দেখানোরও কথাও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। সম্প্রতি প্রকাশিত ২০২১-২২ আর্থিক বছরের রিপোর্ট এমনইসব কথা বলা হয়েছে সিএজির তরফে।
সিএজির তরফে বলা হয়েছে, সরকার বিশেষ কোনও তথ্য রিপোর্টে উল্লেখ না করে ফুটনোটে উল্লেখ করছে। এর মধ্যে বেশ কিছু তথ্য প্রকৃতিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে তথ্য প্রকাশে আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছে সিএজি।

সিএজির তরফে ফুটনোটের মাধ্যমে সমালোচনামূলক তথ্যের চিত্রায়ন শিরোনামে একটি বিভাগে বলা হয়েছে, ২০২১-২২ সালের জন্য সরকারের অ্যাকাউন্টের মূল অংশটি ঐতিহাসিক ঘটনার ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বাহ্যিক ঋণ ৪.৩৯ লক্ষ কোটি টাকা দেখিয়েছে। একটি ফুটনোট প্রকাশ করে বলা হয়েছে, সর্বশেষ বিনিময় হারে এই ঋণটি আসলে ৬.৫৮ লক্ষ কোটি টাকা। যা ২.১৯ লক্ষ কোটি টাকা বেশি।
সিএজির তরফে বলা হয়েছে, সরকারের পদক্ষেপে ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৩-এর বিধিগুলি লঙ্ঘন করা হয়েছে। স্থিতিশীল ও স্বচ্ছ আর্থিক নীতির স্বার্থে সরকারকে এই নিয়মগুলি মেনে চলা উচিত বলেও সেখানে বলা হয়েছে।
সিএজি রিপোর্টে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র একটি ফুটনোটের মাধ্যমে বহিরাগত ঋণের মূল্য এই প্রকাশ অ্যাকাউন্টের স্বচ্ছতাকে প্রভাবিত করেছে। ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৩-এর বিধি ২এএ নিরিখেও দেখা যেতে পারে। যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণের সংজ্ঞায় রয়েছে বাহ্যিক ঋণের কথা।
এছাড়াও সিএজি অন্য উদাহরণ খুঁজে পেয়েছে, যেখানে সরকার অ্যাকাউন্টের ফুটনোটে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত বিবৃতি অনুসারে ২০২২-এর ৩১ মার্চ অ্যাকাউন্টিং শিরোনামে ক্ষুদ্র সঞ্চয় ও ভবিষ্য তহবিল-এর অধীনে কেন্দ্রীয় সরকারের মোট দায় ছিল ৬,০১,৪৪৫.৫৮ কোটি টাকা।
সিএজি দেখেছে এই অ্যাকাউন্টিং হেড সম্পর্কিত সরকারের অন্যান্য দায় সম্পর্কিত তথ্য এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু বিনিয়োগ শুধুমাত্র ফুটনোটের মাধ্যমে করা হয়েছিল। সিএডি বলেছেন তারা ২০২১ আর্থিক বছরের রিপোর্টেও ফুটনোটগুলির অনুপযুক্ত ব্যবহারের বিষয়টি উত্থাপন করেছে। সেই সময় তারা পরামর্শ দিয়েছিল যে সরকারকে এমন একটি বিভাগ চালু করা উচিত যেখানে ওএই ধরনের সব প্রকাশ একসঙ্গে করা যেতে পারে।
উদাহরণ স্বরূপ, সিএজি বলেছে, ২০২১-২২ সালে সরকার ইউনিভার্সাল অ্যাক্সেস লেভির অধীনে ১০,৩৭৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। যা ইউনিভার্সাল সার্ভিস বাধ্যবাধকতা তহবিলের অর্থায়নের লক্ষ্যে একটি সেস। এর মধ্যে মাত্র ৮৩০০ কোটি টাকা তহবিলে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
-
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
মালদহের ঘটনা তৃণমূলের পরিকল্পিত ও সংগঠিত, কালীঘাটে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করে দাবি শুভেন্দুর -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন












Click it and Unblock the Notifications