Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ভারতকে বিশ্বের সামনে মডেল হিসাবে তৈরি করতে কাজ করছে আরএসএস, বললেন মোহন ভগবৎ

ভারতকে বিশ্বের সামনে মডেল হিসাবে তৈরি করতে কাজ করছে আরএসএস, বললেন মোহন ভগবৎ

আরএসএস সমাজকে জাগ্রত ও ঐক্যবদ্ধ করার জন্য কাজ করছে যাতে ভারত সারা বিশ্বের জন্য একটি "মডেল" হিসাবে তৈরি হতে পারে,"। এমনটাই বলেছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।

ভারতকে বিশ্বের সামনে মডেল হিসাবে তৈরি করতে কাজ করছে আরএসএস, বললেন মোহন ভগবৎ

তিনি বলেন, "সঙ্ঘ সমাজকে জাগ্রত করতে, একে একত্রিত করতে এবং এটিকে একক সত্তা হিসাবে আরও সংগঠিত করতে কাজ করছে যাতে ভারত সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি মডেল হিসাবে তৈরি হতে পারে।" আরএসএস প্রধান আরও বলেছিলেন যে সমাজের বিভিন্ন অংশের অনেক ব্যক্তিত্ব দেশের স্বাধীনতায় আত্মত্যাগ করেছেন এবং অবদান রেখেছেন, কিন্তু "আমাদের একটা সমাজ হিসাবে উন্নতি করতে সময় লেগেছে"।

তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) দিল্লি ইউনিটের কর্মীদের দ্বারা পরিচালিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি আরও বলে যে এটি ভারতীয়দের মৌলিক প্রকৃতি এবং ডিএনএ যে তারা সামাজিক মানুষ হিসাবেই চিন্তা করে এবং আমাদের তাদের আরও উত্সাহিত করতে হবে। কল্যাণমূলক কাজের কথা বলতে গিয়ে ভাগবত সংঘের কর্মীদের ব্যক্তিগত স্বার্থের কথা না ভেবে সমাজের জন্য কাজ করতে বলেছিলেন। তিনি বলেন, "কল্যাণমূলক কাজ করার সময় আমাদেরকে 'আমার এবং আমার'-এর ঊর্ধ্বে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং এটি আমাদের একটি সমাজ হিসাবে বিকশিত হতে সাহায্য করবে।"

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ভারতের একটি ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী, আধাসামরিক ও বেসরকারী স্বেচ্ছা-সেবক সংগঠন। আরএসএস সংঘ পরিবার নামে হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর একটি অংশ। ১৯২৫ সালে নাগপুর-বাসী ডাক্তার কে. বি. হেডগেওয়ার একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন রূপে আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দেশ্য ছিল ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতা ও মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরোধিতা।
আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকেরা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে অংশ নিয়ে ভারতের একটি অগ্রণী হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠনে পরিণত হয়। ১৯৯০-এর দশকের মধ্যে এই সংগঠন অসংখ্য স্কুল, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও মতাদর্শ প্রচারের উদ্দেশ্যে ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে। আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজও করে থাকে। আরএসএস এক লক্ষেরও বেশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রামোন্নয়ন, আদিবাসী উন্নয়ন, গ্রামীণ স্বনির্ভরতা, কৃষি কর্মসূচি পরিচালনা করে এবং কুষ্ঠ ও দুঃস্থ ছাত্রদের দেখাশোনা করে।

কোনো কোনো সমালোচক আরএসএস-কে হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন বলে থাকেন। ব্রিটিশ আমলে এই সংগঠন নিষিদ্ধ ছিল। স্বাধীন ভারতে ১৯৪৮ সালে নাথুরাম গডসে নামে এক প্রাক্তন আরএসএস-সদস্য মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করলে ভারত সরকার এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করে দেয়। জরুরি অবস্থার সময় (১৯৭৫-৭৮) এবং ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরও এই সংগঠন নিষিদ্ধ হয়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+