নজরে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়! ১৭ নম্বর বিল্ডিং, ১৩ নম্বর রুমে কী কী হয়? জঙ্গি তৈরির আখড়া?
হরিয়ানার আল-ফালাহ (Al-Falah) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ নম্বর আবাসিক ভবনের ৪ এবং ১৩ নম্বর কক্ষে কিছু ভয়ঙ্কর গোপন রহস্য লুকিয়ে ছিল। সেখানকার ছোট্ট একটি ঘরে থাকতেন দিল্লির বিস্ফোরণ কাণ্ডের অন্যতম এক অভিযুক্ত চিকিৎসক মুজ়ম্মিল আহমেদ। বদ্ধ, একচিলতে সেই ঘরে প্রায়ই মুজাম্মিল ও তাঁর কাছের বন্ধুদের আসর বসত এবং গোপন আলোচনাও চলত। জানা যাচ্ছে যে, ওই ঘরে বসেই তারা দিল্লির বিস্ফোরণের ছক কষেছিল।

কর্মকর্তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ নম্বর ভবনে উমরের ৪ নম্বর কক্ষ এবং মুজাম্মিলের ১৩ নম্বর কক্ষ থেকে একটি ডায়েরি এবং নোটবুক পাওয়া গিয়েছে। সেখান থেকে ২৫ জনেরও বেশি নাম উদ্ধার করা হয়েছে। যারা বেশিরভাগই ছিল জম্মু ও কাশ্মীর এবং ফরিদাবাদ থেকে। ডায়েরিতে ৮ থেকে ১২ নভেম্বরের তারিখও উল্লেখ করা ছিল। এটা ঠিক সেই সময়টাই যখন ১০ নভেম্বর লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ ঘটেছিল এবং ১৩ জন নিহত হয়েছিল।
ধৃত মুজাম্মিল এবং শাহীন সিদ্দীকী ফরিদাবাদের ধৌজ গ্রামের ওই মেডিক্যাল কলেজেই কর্মরত ছিলেন। পরে জানা যায়, ধৃত আদিল মাজিদ রাথরের সঙ্গেও আল-ফালাহ্ মেডিক্যাল কলেজের যোগ ছিল। উমর উন-নবিও সম্ভবত ওই হাসপাতালেই কর্মরত ছিলেন। যাদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার হিসাবে কর্মরত মুজাম্মিল ছাত্রাবাসের ১৭ নম্বর ভবনের ১৩ নম্বর ঘরে থাকতেন। তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন যে, ওই ঘরই দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণের সমস্ত পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। 'অপারেশন' শব্দটি খুঁজে পাওয়া ওই ডায়েরিতে বারবার উল্লেখ করা হয়েছে। যা একটি বড়োসড়ো পূর্ব পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আর একজন কর্মী ডা: শাহিন শাহিদ-এর নামও এই তথ্যে উঠে এসেছে। তদন্তকারীদের মতে, শিক্ষা ও চিকিৎসার ছদ্মবেশের আড়ালে এখানে এক বিপজ্জনক ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল।












Click it and Unblock the Notifications