রোহিঙ্গাদের এই পদক্ষেপ চিন্তায় ফেলতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও
দুবাই এবং পাকিস্তানে থাকা রোহিঙ্গা নেতারা লস্কর-ই-তৈবা এবং জামাত-উদ-দাওয়ার সমর্থন পাচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছে গোয়েন্দারা।
দুবাই এবং পাকিস্তানে থাকা রোহিঙ্গা নেতারা লস্কর-ই-তৈবা এবং জামাত-উদ-দাওয়ার সমর্থন পাচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছে গোয়েন্দারা। এমন কি জামাত-উদ-দাওয়ার সঙ্গী সংগঠন ফালহা-ই -ইনসানিয়ত পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে রোহিঙ্গাদের জন্য।

দুবাই-এ থাকা রোহিঙ্গা ফেডারেশন অফ আরাকানের প্রেসিডেন্ট ফিরদৌস শেখ গত মাসেই পাকিস্তানে রোহিঙ্গা মুসলিমদের সমর্থনে হওয়া এক সেমিনারে যোগ দিয়েছিলেন। পাকিস্তান সফর কালে ওই রোহিঙ্গা নেতা নাভিদ ওমর, জামাত-উদ-দাওয়ার করাচির আমীর এবং পাকিস্তানে থাকা রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের প্রসিডেন্ট এবং বার্মিজ মুসলিম ওয়েলফেরার অর্গানাইজেশনের নূর হুসেনের সঙ্গে কথা বলেন। ফাতহা-ই-ইনসানিয়ত ফাউন্ডেশনের দুটি শাখার একটি বাংলাদেশ এবং অপরটি ইন্দোনেশিয়ায় কাজ করছে বলে জানিয়েছেন রোহিঙ্গা নেতা নাভিদ ওমর। সেখান থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য চিকিৎসা সহায়তা এবং ত্রাণ সহয়তা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীর এমন কী জম্মুতেও রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুরা তাদের সমস্যা নিয়ে বড় ধরনের বৈঠকের চেষ্টা চালাচ্ছে। গত অগাস্ট মাসেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজগুলিকে অবৈধ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ফলে নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কবার্তা পাঠায়। গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকেও বিষয়টি তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।
যদিও রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভিন্ন মত পোষণ করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লির তরফে রোহিঙ্গাদের জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক বলা হলেও, তা মানতে রাজি নন তিনি। তাঁর মতে রোহিঙ্গা মানেই সন্ত্রাসী নয়। সব সাধারণ মানুষ জঙ্গি নয়।












Click it and Unblock the Notifications