লিঙ্গভেদে ভালোবাসার সমানাধিকার! সমকামী যুগলদের লিভ-ইনে যুগান্তকারী রায় ওড়িশা হাইকোর্টের
লিঙ্গভেদে ভালোবাসার সমানাধিকার! সমকামী যুগলদের লিভ-ইনে যুগান্তকারী রায় ওড়িশা হাইকোর্টের
ভালবাসার যেমন জাত-পাত-ধর্ম হয় না, তেমন কোনও লিঙ্গও হয় না। সমকামী প্রেমকে সুপ্রিম কোর্ট অনেক আগেই খাতায় কলমে স্বীকৃতি দিলেও, এই সমাজের ছকে দেওয়া 'সম্পর্কের সংজ্ঞা' থেকে আদেও কি মিলেছে তাদের 'আজাদি'? বরাবরই ভালোবাসায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে লিঙ্গ। এবার এই গড্ডালিকাপ্রবাহকে উপেক্ষা করেই এক সমকামী দম্পতিকে একসাথে থাকার অনুমতি দিল ওড়িশা হাইকোর্ট।

জৈবিক ভাবে মহিলা, মানসিক ভাবে নন
২৪ বছর বয়সের সোনু কৃষ্ণা জেনা, তার প্রেমিকা রেশমির (পরিবর্তিত নাম) সঙ্গে লিভ ইন করতেন। রেশমির পরিবারের লোক অর্থাৎ তার মা এবং কাকা রেশমিকে জবরদস্তি বিয়ে করতে বাধ্য করার অভিযোগে সম্প্রতি সোনু রেশমির পরিবারের বিরুদ্ধে একটি পিটিশন দায়ের করেন। এদিকে রেশমি আদালতকে জানান তিনিও সোনুর সাথেই থাকতে চান। একইসঙ্গে আদালতে সোনু স্পষ্ট জানান, তিনি প্রাকৃতিকভাবেই কেবলমাত্র মহিলা, কিন্তু মননে সে ও তার প্রেমিকার কাছে আদপেই একজন পুরুষ। তাই বিচার চলাকালীন তার জন্য যেন পুরুষদের জন্য ব্যবহৃত তকমাগুলির (he,him, his) ব্যবহার করা হয়। সোনুর এই আবেদনে রাজিও হয় ওড়িশার আদালত।

২০১১ সাল থেকে প্রেম, স্বপ্ন একটাই 'একসাথে থাকা'
সোনুর বয়ান অনুযায়ী, ২০১১ সালে রেশমির প্রেমে পড়েন তিনি। ২০১৭ সাল থেকে তারা একসাথে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু সেই রাস্তা এত সহজ হল কই! রেশমির পরিবারের বিরুদ্ধে 'গার্হস্থ্য হিংসা ও নারী সুরক্ষা আইন' সম্পর্কিত ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। অন্যদিকে, ২০০৫ এর লিভ-ইন সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী, সমকামী কোনও দম্পতি আইনত বিবাহ করতে না পারলেও, সহবাস করার অনুমতি রয়েছে। পাশাপাশি রেশমির পরিবার জানায়, সোনুর পক্ষে কোনও আদেশ দেওয়া হলে, রেশমির সুস্বাস্থ্যের জন্যও যথাযথ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

শেষমেশ জিত ভালোবাসারই
উভয়পক্ষের যুক্তি শোনার পর আদালত রাজ্য সরকারকে এই যুগলের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেয়। এই আবেদনের শুনানির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি এস কে মিশ্র এবং সাবিত্রী রাঠো। অবশেষে উভয়েই পৃথকভাবে এই দম্পতির একসাথে থাকার পক্ষেই রায় দেন। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি এস কে মিশ্র বলেন," মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের পূর্বোক্ত অনুমোদন অনুযায়ী কোনও ব্যক্তি লিঙ্গভেদে তার পছন্দের যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে স্বেচ্ছায় লিভ-ইন করতে পারেন।"

ভালোবাসা কোনোও সীমা মানেনা
এই প্রসঙ্গে বিচারপতি রাঠো আরও লিখেছেন,আইন আসলেই সামাজিক মূল্যবোধ ও নিয়মের প্রতিচ্ছবি। সময় ও আইনের সাথে সামাজিক নিয়মাবলী পরিবর্তিত হয়। তিনি আরও বলেন" ভালোবাসার কোনোও সীমানা থাকেনা, সম-লিঙ্গের সম্পর্ককে অন্তর্ভুক্ত করতে তাই সেই সীমানা প্রসারিত হয়েছে।" অর্থাৎ যে কোনোও মানুষেরই পছন্দের স্বাধীনতা রয়েছে তাই এই ক্ষেত্রে দু'জন ব্যক্তি স্বইচ্ছায় একসাথে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাই সমাজের উচিৎ তাদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করা।
-
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
ডেথ ওভারে অনবদ্য বোলিং করে গুজরাতের বিরুদ্ধে জয় পেল রাজস্থান, টেবল শীর্ষে পরাগ বাহিনী










Click it and Unblock the Notifications