রাজার ছেলে রাজাই হন! হত্যা করা হয়েছে কংগ্রেস আদর্শকে, কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা ক্ষুব্ধ কর্মীদের
মধ্যে মাত্র দশদিন। তারপরেই দুটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই কংগ্রেস কর্মীদের গান্ধী পরিবারকে নিয়ে বিদ্রোহের ইঙ্গিত।
মধ্যে মাত্র দশদিন। তারপরেই দুটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই কংগ্রেস কর্মীদের গান্ধী পরিবারকে নিয়ে বিদ্রোহের ইঙ্গিত। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর এমনটাই। ক্যামেরার সামনেই কংগ্রেস কর্মীদের বলতে শোনা গিয়েছে, দলের ওপর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই রাহুল গান্ধীর। সামনের নির্বাচনগুলিতে পরাজিত হবে কংগ্রেস। এমনটাই বলছেন তারা।

মহারাষ্ট্র প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য আনন্দ সিংকে বলা হয়েছিল মিলিন্দ দেওরা এবং সঞ্জয় নিরুপমের মধ্যে গণ্ডগোল নিয়ে বলতে। তখন সেই কংগ্রেস কর্মী বলেন, কেউ কি 'সুপার ৩০' সিনেমাটা দেখেছেন। তাতে ঋত্বিক রোশন কী বলেছিলেন। সেখানে ঋত্বিক রোশন বলেছিলেন, রাজার ছেলে রাজাই হন। সেরকমভাবেই প্রিয়া দত্তের দিকে তাকান। তিনি এক 'রাজা'র কন্যা। এখন তিনি 'রাজা'। এটাই হল সত্যি। অপর এক কংগ্রেস নেতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সেই কংগ্রেস নেতা হলেন বাবা সিদ্দিকি। তিনিও এক বড় নেতার ছেলে। একইরকম হয়েছে মিলিন্দ দেওরার ক্ষেত্রে। কংগ্রেসের আসল আদর্শকে হত্যা করা হয়েছে।
অপর এক কংগ্রেস কর্মীকে বলতে শোনা গিয়েছে, তৃণমূলস্তরের কর্মীদের পাশে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাজ করার সময় ওপরের নেতারা তৃণমূল স্তরের কর্মীদের মত নেন না। তাঁরা দিন রাত কাজ করে চলেছেন। তাই দল চালাতে তাঁদের মতও জরুরি। বলেছেন ওই কর্মী।
কংগ্রেস নেতা আনন্দ সিং বলেছেন, একটা পরিবর্তনের দরকার রয়েছে। একটা পুরনো গাছ পড়ে যায়। নতুন লাগানো হয়। কিন্তু তারা নতুন লোক চায় না। তারা চান রাজার ছেলে রাজাই হোক। ঘরে কংগ্রেস নেতাদের বলতে শোনা গিয়েছে, তারা সমসময়ই গান্ধী পরিবারের কথা শোনেন। বাকিদের কথার কোনও মূল্য নেই।
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, অপর একটি ফুটেজে এমপিসিসি সদস্য কৃপাশঙ্কর পাণ্ডেকে বলতে শোনা গিয়েছে, দলের ওপর রাহুল গান্ধীর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। নেতাদের ওপরও কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। তিনি আরও বলেছেন, যখন রাহুল কংগ্রেস সভাপতি হয়েছিলেন, তখন ৪০ থেকে ৫০ জন নেতা তাঁকে কোনও সম্মানও জানাতেন না। তাঁর কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সামনের নির্বাচনে কংগ্রেসের অবস্থা কী হবে। তিনি উত্তর দিয়েছেন, কংগ্রেস শূন্য পাবে।
অন্যদিকে, হরিয়ানায় কংগ্রেসের বিক্ষুদ্ধ নেতা গাজে সিং কাবলানাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ফলাফলের মুখোমুখি হবে কংগ্রেস, মুছে যাবে। হরিয়ানা কংগ্রেসের অর্গানাইজেশনাল সেক্রেটারি বিজেন্দ্র রাঙ্গাকে বলতে শোনা গিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসে নেতৃত্ব নেই। মানুষ কেবল টিকিটের জন্য লড়াই করছে। সনিয়া ও রাহুলের সঙ্গে দেখা করাটাও শক্ত, বলেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications