ঝাড়খণ্ডে তুলনামূলক ভালো ফল করার পথে লালুর আরজেডি
২০১৪ সালের ঝাড়খণ্ড নির্বাচনে একটিও আসন জিততে ব্যর্থ হয়েছিল লালুপ্রসাদের রাষ্ট্রীয় জনতা দল। তবে এবার হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেধে লড়াই করে ঝুলিতে এসেছে ৫টি আসন।
২০১৪ সালের ঝাড়খণ্ড নির্বাচনে একটিও আসন জিততে ব্যর্থ হয়েছিল লালুপ্রসাদের রাষ্ট্রীয় জনতা দল। তবে এবার হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেধে লড়াই করে ঝুলিতে এসেছে ৫টি আসন। তাও আবার মা৬ ৭টিতে লড়াই করে।

বিহার লাগোয়া আসনে ভালো ফল আরজেডির
এই ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতেই এক বছর ধরে জেলে রয়েছেন লালু প্রসাদ। পশু খাদ্য কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর থেকে এখানেই বন্দি রয়েছেন তিনি। আর এই রাজ্যেই তাঁর দলের আবার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিল। উত্তর ঝাড়খণ্ডে বিহার লাগোয়া দেওঘর, গোড্ডা, কাডোর্মা, ছত্তরপুর, ছাতরাতে জিততে চলেছে লালুর দল।

বিহারের বাকি দলগুলির ভরাডুবি ঝাড়খণ্ডে
এদিকে লালুর দল তুলনামূলক ভালো ফল করলেও বিহারের দুই এনডিএ শরিক ঝাড়খণ্ডে ভালো ফল করতে পারেনি। ২০২০ সালের বিহার বিধানসভা নির্বেচন। এর আগে ঝাড়খণ্ডের নির্বাচন বিহার নির্বাচনের সেমিফাইনাল হিসাবে ধরা হয়। এদিকে বিহারে বিজেপির শরিক দল লোক জনশক্তি পার্টি ও জনতা দল ইউনাইটেড ঝাড়খণ্ড নির্বাচনে একা লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেয়। যা এনডিএ জোটের জন্য এক অশনি সঙ্কেত হিসাবে দেখা হয়।

এনডিএ ছেড়ে একা লড়ে জেডিইউ-এলজিপির
তবে বিজেপির সঙ্গে জোটে না গিয়ে একা লড়ে ভরাডুবির সম্মুখীন হয়েছে জেডিইউ ও এলজেপি। কোন আসন তো ছাড় ভোট শতাংশের নিরিখে তারা সারা রাজ্যে পেয়েছ মাত্র ০.৬৯ শতাংশ ভোট। এদিকে পাসোয়ানের এলজেপিরও হাল আরও বাজে। তারা পেয়েছে মাত্র ০.২৮ শতাংশ ভোট। প্রসঙ্গত, এদের থেকে বেশি ভোট পড়েছে নোটাতে। এআইএমআইএমও বেশি ভোট পেয়েছে এদের থেকে।












Click it and Unblock the Notifications