নদীতে ভেসে আসা মৃতদেহগুলি আসলে কাদের! রয়টার্সের নয়া রিপোর্টে চাঞ্চল্য
নদীতে ভেসে আসা মৃতদেহগুলি আসলে কাদের! রয়টার্সের নয়া রিপোর্টে চাঞ্চল্য
করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এদিন দেশের ৪ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি এদিন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন সেরাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে। এদিকে, উত্তরপ্রদেশের বুকে নদীগুলিতে একের পর এক লাশ ভেসে আসার ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের নয়া রিপোর্টে।

রয়টার্সের নয়া রিপোর্ট কী বলছে?
প্রসঙ্গত, রয়টার্সের নয়া রিপোর্টের দাবি , একটি চিঠিতে উত্তরপ্রদেশ সরকার পুরনো এক ধর্মীয় প্রথায় এই মৃতদেহ সৎকারের ঘটনা স্বীকার করে নেয়। ২৪ কোটি মানুষের বসবাস এই উত্তর প্রদেশে। সেখানে গঙ্গার তীরে একের পর এক মৃতদেহ পুঁতে দেওয়ার ঘটনায় রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে যোগী প্রশাসন।

রিপোর্টে কী বলা হচ্ছে?
রয়াটার্সের তথ্য বলছে ১৪ মে একটি চিঠিতে কার্যত উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে যে , যাঁদের মৃতদেহ সৎকার করতে সমস্যা হয়েছে, তাঁদের দেহ স্থানীয়রা মাটির নিচে পুঁতে দিয়েছেন। এক পুরনো ধর্মীয় প্রথায় অই সৎকার হয়েছে। রয়টার্সের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, এই দেহগুলি সম্ভবত কোভিড রোগীদের হলেও হতে পারে । এর ময়নাতদন্ত হবে। যদিও গাজিপুরে উদ্ধার হওয়া দেহগুলির ময়না তদন্তে জানা গিয়েছে, ৪ টি দেহের কোনওটিতেই ভাইরাসের চিহ্ন নেই।

জল্পনা থেকে যাচ্ছে
এদিকে জল্পনা শুরু উত্তরপ্রদেশের এক আমলা মনোজ কুমার সিংয়ের বক্তব্যে। তাঁর দাবি , দেহগুলি পচা গলা অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে। ফলে এই দেহগুলি কোনও কোভিড পজিটিভের কী না , তা নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন। ফলে জল্পনার পাহাড় ক্রমেই মাত্রা ছাড়িয়েছে।

উত্তরপ্রদেশে কড়া নজরদারি শুরু
উত্তরপ্রদেশের একাধিক এলকায় গঙ্গার বুকে আপাতত ৩৪ টি টিম নামিয়েছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। জোরকদমে খোঁজ চলছে আরও এরকম মৃতদহে সৎকার হয়েছে কি না, তার। আপাতত উত্তর প্রদেশের ১৮ টি ঘাটে চলছে নজরদারি। স্টেট ডিজাস্টার রিলিফ ফোর্সও এই পদক্ষেপে যোগদান করেছে। আপাতত সিসিটিভি ও নদীরবক্ষে নজরদারি চালিয়ে ঘটনার কিনারা করতে চাইছে প্রশাসন।
প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications