ভগবান রামকেই আইনি ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট! সমালোচনা প্রাক্তনীর
সুপ্রিম কোর্ট শতবর্ষ প্রাচীন আইনি লড়াইয়ের সমাপ্তি করেছে। অযোধ্যা রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিবাদের অবসান ঘটিয়েছেন ৯ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক রায় দান করেন সু্প্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ।
সুপ্রিম কোর্ট শতবর্ষ প্রাচীন আইনি লড়াইয়ের সমাপ্তি করেছে। অযোধ্যা রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিবাদের অবসান ঘটিয়েছেন ৯ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক রায় দান করেন সু্প্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। বিতর্কিত জমি রামলালার-এই রায় নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টেরই প্রাক্তন বিচারপতি।

সুপ্রিম কোর্টের অসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোককুমার গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, রাম মন্দির নির্মাণের জন্য কেন্দ্রকে জমি দেওয়ার রায় দিয়ে সংখ্যালঘুদের অন্যায় করা হয়েছে। শীর্ষ আদালতের এই সিদ্ধান্ত ভগবান রামকে বৈধ আইনি ব্যক্তিত্ব হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তিনি বলেন, এই রায় দেখে আমি বিভ্রান্ত, বিক্ষুব্ধও। সংবিধান প্রত্যেককেই অধিকার দিয়েছে। প্রত্যেককেই ন্যায়বিচার দিতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের প্রতি ন্যায়বিচার করা হয়নি। অনৈতিকভাবে মসজিদ ভাঙা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে তার রায়েও একথা উল্লেখ করেছেন। তা সত্ত্বেও যে রায়দান করা হয়েছে, তাতে সংখ্যালঘুদের উপরই অবিচার করা হয়েছে।
এ কে গাঙ্গুলি বলেন, আদালত বলেছে যে কোনও মন্দির ভেঙে মসজিদটি নির্মিত হয়নি। মসজিদের নিচে মন্দিরের কোনও প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণও পাওয়া যায়নি। তারপর মসজিদ ভেঙে দেওয়া সংবিধানের চূড়ান্ত লঙ্ঘনের মধ্যেই পড়ে। তা সত্ত্বেও তারা কীসের ভিত্তিতে বলেছে যে এই জমির মালিক রাম লালা। শুধু বিশ্বাসের উপর ভর করে কি সুপ্রিম কোর্ট কোনও রায় দিতে পারে, প্রশ্ন তাঁর।
এ কে গাঙ্গুলি আরও বলেন, সংবিধানের ছাত্র হিসাবে আমার বিবেক বিচলিত। সুপ্রিম কোর্ট সংখ্যালঘু-সহ সমস্ত নাগরিকেরই অধিকার রক্ষা করতে বাধ্য। কিন্তু এখানে অধিকার রক্ষা করা হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় বিতর্কিত সম্পত্তির পুরো ২.৭৭ একর জায়গাই রাম লালার।












Click it and Unblock the Notifications