ফ্লোরাইড মিশ্রিত দূষিত পানীয় জল ব্যবহারে অজানা রোগে আক্রান্ত ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দারা
ফ্লোরাইড মিশ্রিত দূষিত পানীয় জল ব্যবহারে অজানা রোগে আক্রান্ত ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দারা
দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে পানীয় জলে ফ্লোরাইডের উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে দাবি করেছেন ঝাড়খণ্ডের পামামু জেলার একটি গ্রামের বাসিন্দারা। সূত্রের খবর, দূষিত জল ব্যবহারের কারণে চুকরু গ্রামের একাধিক বাসিন্দা বিভিন্ন অজানা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। ওই এলাকার জল দূষণের কারণ হিসেবে পানীয় জলে ফ্লোরাইড, ফ্লোরিন এর মত ক্ষতিকারক যৌগগুলির আধিক্যকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

চলতি বছরের শুরুর দিকে কর্ণাটকের কলার জেলায় দূষিত জল ব্যবহারের ফলে এক মাসের মধ্যে প্রায় নয় জন মারা যান বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে, চামনাহল্লি গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই এলাকায় সরকার কর্তৃক যে পানীয় জল সরবরাহ করা হয় তা অত্যন্ত অপরিষ্কার ও অস্বাস্থ্যকর হওয়ায় ডায়রিয়া, বমি, পেটের সমস্যা সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন গ্রামবাসীরা।
পামামু গ্রামের এক বাসিন্দা রাজেশ্বর পাল এদিন সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছেন, দূষিত জলের কারণে স্থানীয়দের দাঁত ও হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ২৫ বছর ধরে গ্রামবাসীরা এই অস্বাস্থ্যকর দূষিত জল ব্যবহার করছেন।
এই মাসের শুরুর দিকে প্রকাশিত জাতীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কর্ণাটকের স্কুলগুলিতে প্রায় চার লাখ শিক্ষার্থী দাঁতে ফ্লুরোসিসে সংক্রমণে ভুগছে। এই বিষয়টি কেবল গ্রামাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, জমিতে রাসায়নিক সারের অত্যধিক ব্যবহারের ফলে ভূগর্ভস্থ জলস্তর গুলি পর্যন্তও এই ক্ষতিকারক যৌগ মিশে জল দূষণ ঘটাচ্ছে, যা বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে যাচ্ছে।
দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এ বছর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারকে পরিষ্কার জল সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু তারপর বেশ কয়েক মাস কেটে গেলেও কর্তৃপক্ষের কোনও তাপ উত্তাপ দেখা যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications