টিআরপি কেলেঙ্কারি ইস্যুতে মুম্বই পুলিশ-রিপাবলিক দ্বন্দ্ব তুঙ্গে, বল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে
টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট চক্রের পর্দাফাঁস করে মুম্বই পুলিশ। ভিউয়ারশিপ রেটিংয়ের উপর কারসাজি করার অভিযোগে দুই মারাঠি চ্যানেলের কর্ণধার-সহ মোট চারজনকে আজ গ্রেফতারও করেছে মুম্বই পুলিশের ডিটেকশন ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সেই একই মামলায় অর্ণব গোস্বামীর রিপাবলিক চ্যানেলের সিএফওকে তলব করেছিল মুম্বই পুলিশ। তবে সেই তলবে সারা দেননি রিপাবলিকের সিএফও।

সুপ্রিমকোর্টে এই বিষয়ে একটি মামলা দায়ের
রিপাবলিক চ্যানেল এর আগে সুপ্রিমকোর্টে এই বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। অর্ণবের চ্যানেলের দাবি যে সুপ্রিমকোর্টে এই মামলার শুনানি পর্যন্ত যাতে মুম্বই পুলিশ এই তদন্ত স্থগিত রাখে। এর আগে মুম্বই পুলিশের কমিশনার পরমবীর সিং জানিয়েছিলেন, সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে মুম্বই পুলিশ ও মহারাষ্ট্র সরকারের কড়া সমালোচনা করা এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই টিআরপি কারসাজি চক্রের সঙ্গে জড়িত।

টিআরপি নিয়ে কারসাজির অভিযোগ
টিআরপি নিয়ে কারসাজির অভিযোগে রিপাবলিক মিডিয়া নেটওয়ার্কের এডিটর ইন চিফ অর্ণব গোস্বামী জানিয়েছেন, মিথ্যা অভিযোগ আনার জন্য মুম্বই পুলিশের কমিশনারের বিরুদ্ধে তিনি মানহানির মামলা করবেন। এই অভিযোগের তীব্র নিন্দা করেছেন তিনি । মুম্বই পুলিশকে লিখিত ক্ষমা চাইতে বলেও জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন অর্ণব।

পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন অর্ণব
পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি আরও দাবি করেন যে, এর আগেও মুম্বইয়ের কমিশনার পালগড়ের ঘটনা নিয়ে রিপাবলিক টিভিকে নিশানা করেছিলেন। এবার সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর মামলা সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করার জন্য নিশানা করছে। বার্ক -এর রিপোর্টে রিপাবলিক টিভির বিরুদ্ধে কোনও সন্দেহজনক বিষয়ের উল্লেখ নেই বলেও দাবি অর্ণব গোস্বামীর।

মুম্বই পুলিশের কমিশনারের বক্তব্য
এর আগে মুম্বই পুলিশের কমিশনার পরমবীর সিং বলেন, টিআরপি কারসাজি চক্রে এই সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমও জড়িত রয়েছে। ওই খবরের চ্যানেলটির ডিরেক্টর, প্রমোটার বা অন্য যে কোনও কর্মী, যাঁরা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের গ্রেফতার করা হবে। এই ধরনের কারসাজি হওয়ার মানে কয়েকশো কোটি টাকার ক্ষতি।'

তদন্ত নিয়ে আরও যা বলল পুলিশ
তিনি আরও বলেন, 'এখনও পর্যন্ত যা কিছু তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করা হয়েছে, তার ভিত্তিতে তিনটি চ্যানেলকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে দু'টি আঞ্চলিক ভাষার চ্যানেল, ফকত মারাঠি ও বক্স সিনেমা। তৃতীয়টি সর্বভারতীয় চ্যানেল রিপাবলিক টেলিভিশন। বার্ক-এর রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে তদন্তে নেমেছিল পুলিশ।'












Click it and Unblock the Notifications