ভারতে অস্থিরতা তৈরি করতে এবার পাকিস্তানের পথ অনুসরণ চিনের! মণিপুরের ঘটনায় জল্পনা তুঙ্গে
লাদাখে চিনা সেনার সঙ্গে সংঘাতে শহিদ হয়েছিলেন ২০ জন ভারতীয় সেনা। সেই সংঘাতে অপর পক্ষ ছিল চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। এই একই নামে ভারতের মণিপুরেও রয়েছে একটি জঙ্গি সংগঠন। এই সংগঠনটির নেতা এন বিষেশ্বর। সে এই সংগঠনটি দেশ থেকে উত্তরপূর্ব ভারতকে 'মুক্তি' দেওয়ার জন্যে গঠন করেছিল বলে সেনা সূত্রে জানা যায়। চিনের মদতেই বিষেশ্বর নিজের এই সংগঠন চালায় বলে জানা গিয়েছে।

মণিপুরে সেনার উপরে হামলা
এর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে মণিপুরে সেনার উপরে হামলাতে কি তবে চিনের হাত রয়েছে? বুধবারই জঙ্গিদের সঙ্গে সম্মুখসমরে অসম রাইফেলসের তিন জওয়ান নিহত হয়েছেন বলে জানা যায়। বুধবার সন্ধ্যায় ভারত-মায়ানমার সীমান্তের সাজিক তম্পক গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। স্থানীয় জঙ্গি সংগঠন পিপলস লিবারেশন আর্মি সঙ্গে এই সংঘর্ষের জেরে আরও পাঁচ সেনা গুরুতর ভাব জখম হয়েছেন বলেও খবর।

জঙ্গি আক্রমণের মুখে পড়েন সেনা
মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চান্দেল জেলার কাছে একটি জায়গায় জঙ্গিদের গোপন ডেরায় হানা দিতেই এদিন গুলির লড়াই শুরু হয় বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মায়ানমার সীমান্তের একটি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছিলেন ৪ নম্বর অসম রাইফেলস সেনা-জওয়ানরা। সেই সময়েই আকস্মিক ভাবে তারা জঙ্গি আক্রমণের মুখে পড়েন। শুরু হয় প্রতি আক্রমণ।

কী ঘটেছিল মণিপুরে
সূত্রের খবর, বুধবার সন্ধ্যে ৬টা ৩০ থেকে ৭টার মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীন ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকটি আইডি বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। জওয়ানদের লক্ষ্য করে শুরু হয় গুলি বৃষ্টি। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। এই ঘটনায় বেশ কিছু জঙ্গি আহত হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। যদিও এখনও তাদের কারও টিকিও ছুঁতে পারেনি জওয়ানেরা। পাশাপাশি আহত পাঁচ জওয়ানদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানা যায়।

মায়ানমারের জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে চিন
এদিকে কয়েকদিন আগেই জানা যায়, মায়ানমারের উত্তর সীমান্তে বেশ কয়েকটি জঙ্গি গোষ্ঠী আছে যারা চিনা অস্ত্র ব্যবহার করে। তাছাড়া মণিপুরের পিএলএ-কেও চিন প্রশিক্ষণ দেয় বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে এই কার্যকলাপের নেপথ্যে বেজিংয়ের হাত থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছে গোয়েন্দারা। এদিকে কয়েকদিন আগে মায়ানমারে বেশ দামী এয়ার ডিফেন্স মিসাইলও উদ্ধার করা হয় এই জঙ্গিদের কাছ থেকে, যা নিপাত পক্ষে কোনও সরকারের সাহায্যে পাওয়া সম্ভব নয়।

মণিপুরে পিএলএ-বেজিং যোগ
এদিকে ২০১৫ সালে মণিপুরে পিএলএ-র একটি হামলার পরেই এক ধৃত জঙ্গি চিনের থেকে মদত ও প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা স্বীকার করলেও চিনা সরকারের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমস এই যোগের কথা অস্বীকার করে গিয়েছে। তবে মায়ানমারের জঙ্গিদেরও চিনা সেনার মদতের বিষয়টি সামনে এসেছে।












Click it and Unblock the Notifications