কাশ্মীরে সেনা রাখা নিয়ে হোক গণভোট, বলছেন প্রশান্ত ভূষণ

'আজ তক' চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, "মানুষকে জিজ্ঞাসা করা উচিত যে, কাশ্মীরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতে তাঁরা সেনাবাহিনীকে চান কি না। যে কোনও সিদ্ধান্তের পিছনে যদি জনসমর্থন না থাকে, তা হলে সেটা অগণতান্ত্রিক। যদি কাশ্মীরের মানুষ মনে করেন, ফৌজ মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে এবং তাঁরা ফৌজকে চান না, তা হলে অবিলম্বে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করে নিতে হবে।" তাঁর আরও ব্যাখ্যা, "বাইরের আগ্রাসন মোকাবিলা করতে সীমান্তে সেনা মোতায়েন করা সরকারের সিদ্ধান্ত হতে পারে। কিন্তু, কাশ্মীর উপত্যকায় আফস্পা (আর্মড ফোর্সেস স্পেশ্যাল পাওয়ারস অ্যাক্ট) থাকবে কি না, তা জানতে গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।"
কিন্তু, কাশ্মীরিরা যদি ভারত ছেড়ে পাকিস্তানে যোগ দিতে চান? সেক্ষেত্রেও কি গণভোট নেওয়া হবে? তাঁর জবাব, "বিচ্ছিন্ন হওয়ার অধিকার অসাংবিধানিক। সংবিধানের চৌহদ্দিতে থেকে আমাদের সমাধান খুঁজে হবে। কাশ্মীরের জনগণ মনে করে, তাঁদের ইচ্ছাকে মর্যাদা না দিয়ে সেনাবাহিনীকে রেখে দেওয়া হয়েছে। আর ফৌজিরা সেখানে নিয়মিত মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। এর ফলে ওখানকার সাধারণ মানুষ মূল স্রোত থেকে দূরে সরে গিয়েছেন। আমাদের কাজ হল, ওঁদের মন জয় করা।"
নিশ্চিতভাবেই প্রশান্ত ভূষণকে বিঁধেছে বিভিন্ন মহল। বিজেপি-র বক্তব্য, এর ফলে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিরা উৎসাহিত হবে। কংগ্রেসও তাঁর মন্তব্যকে ভালোভাবে নেয়নি। খোদ অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, "কাশ্মীরে সেনা রাখাটা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। এ নিয়ে গণভোটের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আমাদের দল এমন গণভোটের পক্ষে নয়। তবে সাধারণ মানুষের অনুভূতির কথা ভাবা উচিত নিঃসন্দেহে।"












Click it and Unblock the Notifications