নয়া ভ্যাকসিন নীতির প্রথম দিনই বাজিমাত, দেশে ৬৯ লক্ষের বেশি টিকাকরণ হয়েছে
নয়া ভ্যাকসিন নীতির প্রথম দিনই বাজিমাত
কেন্দ্রের নতুন ভ্যাকসিন প্রোটোকল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারত ফের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী সোমবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দেশে সর্বোচ্চ দৈনিক টিকাকরণ হয়েছে ৬৯.২৫ লক্ষ।

পাঁচটি বিজেপি শাসিত রাজ্য এগিয়ে
স্বাস্থ্য মন্ত্রক এও জানিয়েছে যে বিশেষ কর্মসূচির ক্ষেত্রে মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত ও হরিয়ানা এই পাঁচটি বিজেপি শাসিত রাজ্য এগিয়ে রয়েছে। সোমবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশে ১২ লক্ষ, কর্নাটকে ৮.৭৩ লক্ষ ও উত্তরপ্রদেশে ৫.৮৪ লক্ষ টিকাকরণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, 'কোভিড ভ্যাকসিনের জন্য সংশোধিত নির্দেশিকা বাস্তবায়নে সোমবার প্রথম দিনে ৪৭ লক্ষের বেশি কোভিড টিকাকরণ দেওয়া হয়েছে।' ৬৯.২৫ লক্ষ ভ্যাকসিনের মধ্যে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের দেওয়া হয়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন।

সোমবার থেকে বিনামূল্যে টিকাকরণ
কেন্দ্রের সংশোধিত কোভিড-১৯ টিকাকরণের নীতি সোমবার থেকেই দেশে কার্যকর করা হয়েছে। কেন্দ্র সরকার ভ্যাকসিন নির্মাতাদের কাছ থেকে ৭৫ শতাংশ ভ্যাকসিন কিনবে, যার মধ্যে ২৫ শতাংশ রাজ্যের কোটায় রয়েছে যা রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ভারতে সর্বোচ্চ ৪৩ লক্ষ টিকাকরণ হয়েছিল। এরপর ১৪ জুন দেশে সর্বোচ্চ ৩৮.২ লক্ষ টিকাকরণ হয়। সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে দেশে এই প্রথমবা দৈনিক টিকাকরণ ৫০ লক্ষের গণ্ডি ছুঁয়েছে।

এক কোটি টিকাকরণের লক্ষ্য
নতুন টিকাকরণ নীতি প্রয়োগ করে অগাস্টে দৈনিক এক কোটি টিকাকরণে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে কেন্দ্রের। এ বছর দেশে প্রথম টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছিল ১৬ জানুয়ারি স্বাস্থ্য কর্মীদের টিকাকরণের মধ্য দিয়ে। এরপর ফেব্রুয়ারিতে ফ্রন্টলাইন কর্মীদের টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ শুরু হয় ১ মার্চ। সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই পর্যায়ে অগ্রাধিকার জনগোষ্ঠী ছিল ২৭ কোটি। যার মধ্যে ছিলেন ষাটোর্ধ্ব জনসংখ্যার গোষ্ঠী এবং ৪৫ বছরের বেশি একাধিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা।

কোভিডের দ্বিতীয় ওয়েভের পর চতুর্থ পর্যায় টিকাকরণ
১ এপ্রিল থেকে দেশে তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ শুরু হয় গোটা ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে নাগরিকদের জন্য। তবে কোভিডের দ্বিতীয় ওয়েভ আসার পর টিকাকরণের মহড়া দ্রুত বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টার জন্য ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে নাগরিকদের টিকাকরণ শুরু হয়ে যায়। যা টিকাকরণের চতুর্থ পর্যায়। এই পর্যায়ে ৯৪.০২ কোটি জনসংখ্যাকে টিকাকরণ করাতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications