নির্বাচনের আগেই গুজরাত ও হিমাচলে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ও মদ উদ্ধার, দাবি নির্বাচন কমিশনের
নির্বাচনের আগেই গুজরাত ও হিমাচলে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ও মদ উদ্ধার, দাবি নির্বাচন কমিশনের
শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, গুজরাত ও হিমাচল প্রদেশের নির্বাচনের আগে ব্যাপক পরিমাণের মদ ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গুজরাতে ১ ও ৫ তারিখে দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচনের কথা রয়েছে। অন্যদিকে, হিমাচল প্রদেশে ১২ অক্টোবর অর্থাৎ শনিবার এক দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনের ভোটের দিন ঘোষণার পরেই দুই রাজ্যে নির্বাচন বিধি লাঘু হয়ে গিয়েছে।

ভোটের আগে রেকর্ড পরিমাণ মদ ও অর্থ উদ্ধার
শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গুজরাত নির্বাচনের দিন ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যেই ৭১.৮৮ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ২০১৭ সালে গুজরাতে নির্বাচন বিধি লাঘুর পরেই ব্যাপক পরিমাণে অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু সেই অর্থ ছাড়িয়ে গিয়েছে ২০২২ সালে। ২০১৭ সালে গুজরাতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ২৭.২১ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। অন্যদিকে, শনিবার হিমাচল প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনের আগে ৫০.২৮ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ২০১৭ সালের নির্বাচনে বাজেয়াপ্ত করা অর্থের প্রায় পাঁচগুলো। ২০১৭ সালে ৫০.২৮ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

রাত পোহালেই হিমাচলে নির্বাচন
রাত পোহালেই হিমাচল প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। হিমাচলের নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী হল বিজেপি ও কংগ্রেস। এখনও পর্যন্ত হিমাচল প্রদেশে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সরকার পরিবর্তন হয়েছে। হিমাচলে বর্তমানে বিজেপির সরকার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হিমাচল প্রদেশে নির্বাচনী প্রচারে স্থিতিশীল সরকার তৈরি করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, হিমাচল প্রদেশে উন্নয়নের প্রধান বাধা, রাজ্যে স্থিতিশীল সরকার নেই। বিজেপির তরফে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের প্রচার করা হয়। অর্থাৎ রাজ্যে ও কেন্দ্রে এক রাজনৈতিক দলের সরকার। কংগ্রেসের প্রচারে মূলত স্থানীয় সমস্যাগুলো জায়গা পেয়েছে। যেমন হিমাচল প্রদেশের বেকারত্ব, অনুন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা, নয়া পেনশন নীতি। হিমাচল প্রদেশের ৩৯ শতাংশ গ্রামের সঙ্গে সরাসরি কোনও যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। দুর্গম পাহাড়ি পথ ধরেই সেই গ্রামে পৌঁছতে হয়।

গুজরাত নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে দেশ
গুজরাতে এতদিন মূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে লড়াই হলেও চলতি বছর ত্রিমুখী লড়াইয়ের প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গুজরাতে আপ জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছে। আপের তরফে বিনামূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি প্রচারে কোনও খামতি রাখেনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জোর কদমে গুজরাতে প্রচার চালিয়েছেন। সারা দেশের নজর গুজরাতের বিধানসভা নির্বাচনের দিকে। কারণ গুজরাত প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য।












Click it and Unblock the Notifications