Rebel in NCP: পুরো এনসিপি অজিত পাওয়ারের সঙ্গে! ভাইপোর দাবি শুনে কী বলছেন শরদ
এনসিপিতে বিদ্রোহ ঘোষণা করে মহারাষ্ট্র সরকারে যোগ দিয়েছেন অজিত পাওয়ার। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি দলের ৮ বিধায়ককে পাশে নিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন, পুরো এনসিপি দল তাঁর সঙ্গে। তারপরই কড়া বিবৃতি দিয়ে সত্য় সামনে আসার অপেক্ষা করতে বলেছেন।
অজিত পাওয়ার শুধু এই দাবি করেই ক্ষান্ত হননি যে, পুরো এনসিপি দল তাঁর সঙ্গে রয়েছে। তিনি এমন কথাও বলেছেন যে, এনসিপি পার্টির নাম ও প্রতীক আমরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ব্যবহার করব। কারণ দল আমাদের সঙ্গে আছে, অধিকাংশ বিধায়ক আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।

এরপরই শরদ পাওয়ারের সাফ জানিয়ে দেন, "সত্য শীঘ্রই বেরিয়ে আসবে।" তিনি ভাইপোর এই পদক্ষেপে গভীরভাবে অপমানিত এবং মর্মাহত। তিনি যে জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং লালন-পালন করেছেন। সেই পার্টিই আজ অজিত পাওয়ারকে সমর্থন করছে।
শরদ পাওয়ার বলেন, সত্য শীঘ্রই বেরিয়ে আসবে। আমি আগামীকাল দলের নেতাদের একটি বৈঠক ডেকেছি এবং সেখানে আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। এদিন অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পরই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি একথা বলেন।
২০১৯ সালেও অজিত পাওয়ার এনসিপিতে বিদ্রোহ করে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের জন্য দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে শপথ নিয়েছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। সেবার তিনি কতসংখ্যক এনসিপি বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন, তা জানাতে পারেননি। ফলে অজিত পাওয়ারকে ফের ডিগবাজি খেতে হয়।

কিন্তু এবার তিনি আটঘাট বেঁধে নেমেছেন। এনসিপিতে বিদ্রোহী হিসেবে তিনি দলের সিংহভাগের সমর্থন নিয়েই মহরাষ্ট্র সরকারে যোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি ৮ জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে শপথ নিয়েছেন। তারপর অজিত পাওয়ার শিবিরের তরফে দাবি করা হয়েছিল ৫৩ জন এনসিপি বিধায়কের ৪৩ জনই তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন।
তারপর অজিত পাওয়ার সংবাদিক বৈঠক করে জানান, তাঁর সঙ্গে পুরো পার্টিই রয়েছে। পার্টির অধিকাংশ বিধায়কই রয়েছেন তাঁর সঙ্গে। যদিও শরদ পাওয়ার তাঁর দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। সত্য শীঘ্রই সামনে আসবে বলে জানিয়ে ভাইপোর প্রতারণা নিয়ে সরব হন।

গত মাসে শরদ পাওয়ার ঘোষণা করেছিলেন, তিনি পদত্যাগ করছেন। দলের নেতা ও কর্মীদের প্রতিবাদে তিনি পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এরপরেই তিনি পার্টিতে উত্তরাধিকারের প্রশ্নের সমাধান করেন। কন্যা সুপ্রিয়া সুলে এবং সিনিয়র নেতা প্রফুল প্যাটেলকে কার্যকরী সভাপতি হিসাবে ঘোষণা করেন তিনি।
শরদ পাওয়ারের এই ঘোষণায় অজিত পাওয়ার ক্ষুব্ধ ছিলেনষ। তখন থেকেই অজিত পাওয়ার এনসিপি বিধায়কদের ভাঙিয়ে মহারাষ্ট্রে বিজেপি জোট সরকারে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। এর ফলে মহা বিকাশ আগাড়ি বিরাট ধাক্কা খেল। এদিন তাঁর সঙ্গে দেখা গিয়েছে প্রফুল্ল প্যাটেল-সহ আদ বিধায়ককে।












Click it and Unblock the Notifications