কংগ্রেস-জেডিএস যেমন ঠিক করেনি, তেমনই বিজেপিকে বিশ্বাস ভুল হয়েছে, মত কর্ণাটকের বিদ্রোহী বিধায়কদের
মোট ১৭জন বিধায়ককে বরখাস্ত করেছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ কেআর রমেশ। এই ১৭ জনই এখন মনে করছেন, তাঁদের বলির পাঁঠা করা হয়েছে।
মোট ১৭জন বিধায়ককে বরখাস্ত করেছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ কেআর রমেশ। এই ১৭ জনই এখন মনে করছেন, তাঁদের বলির পাঁঠা করা হয়েছে। এখন তাঁরা ব্যস্ত কীভাবে তাঁদের রাজনৈতিক কেরিয়ায় বাঁচানো যায়।

গোপনে এই বিধায়কেরা বলছেন, বিজেপি তাঁদের পিছন থেকে ছুরি মেরেছে। কারণ নতুন সরকারে এই বিধায়কদের বড় পদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে এখন কার্যত মুখ ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বিদ্রোহী বিধায়কদের সবচেয়ে বড় ধাক্কা দিয়েছেন অধ্যক্ষ কেআর রমেশ কুমার।
তাঁদের ২০২৩ সাল পর্যন্ত নির্বাচনে লড়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। দলের হুইপ অমান্য করে কুমারস্বামী সরকারের ডাকা আস্থা ভোটে অনুপস্থিত থাকার ফলেই এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে বিদ্রোহী ১৭জন বিধায়ককে। এর মধ্যে কংগ্রেসের ১৪ জন ও জেডিএস এর ৩ জন রয়েছেন। ফলে সুপ্রিম কোর্টে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহীরা আবেদন জানাবেন।
বিদ্রোহী বিধায়কেরা হলেন - কংগ্রেসের প্রতাপগৌড়া পাতিল, বিসি পাতিল, শিবরাম হেব্বর, এসটি সোমশেখর, বৈরতী বাসবরাজ, আনন্দ সিং, আর রোশন বেগ, মুনিরত্ন, কে সুধাকর, এমটিবি নাগরাজ, শ্রীমন্ত পাতিল। এছাড়া জেডিএসের - এএইচ বিশ্বনাথ, নারায়ণ গৌড়া, কে গোপালাইয়া।
মোট ১৭ জন বিধায়ক সরে যাওয়ায় বিজেপির পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ সহজ হবে। কারণ একজন মনোনীত সদস্য ধরলে কর্ণাটক বিধানসভায় সদস্য সংখ্যা মোট ২২৫ জন। ১৭ জন বাদ দিলে দাঁড়ায় ২০৮ জনে। এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে চাই ১০৪টি ভোট। সেখানে বিজেপির রয়েছে ১০৫টি ভোট। একজন নির্দলও বিজেপির পাশে রয়েছে। ফলে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে বিজেপির কোনও অসুবিধা হবে না।
বিধানসভায় আস্থা ভোটে কুমারস্বামীর সরকার পড়ে যাওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন ইয়েদুরাপ্পা। এবার তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। তবে বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়েও নাটক যে অনেকদূর গড়াবে কর্ণাটকে তা এখন থেকেই বলে দেওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications