নির্দেশ পেলেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরে 'পদক্ষেপ' নিতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা, বললেন সেনাপ্রধান নারভানে
পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর যে কোনও পদক্ষেপের জন্য তৈরি রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এমনটাই জানালেন দেশের নবনিযুক্ত সেনাপ্রধান এমএম নারভানে। সর্বভারতীয় বেসরকারি এক নিউজ চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধান বলেছেন, 'জম্মু ও কাশ্মীর সহ সমস্ত সীমান্তে আমাদের বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং আমাদের বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে এবং প্রয়োজনে, সেই পরিকল্পনাগুলি বাস্তবায়িত করা হতে পারে। আমাদের যে কাজই করতে দেওয়া হোক না কেন, তা আমরা সাফল্যের সঙ্গে করতে পারব।'

নতুন বছরেও সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান
নতুন বছর পড়তে না পড়তেই সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার ভারতের প্রতিরক্ষা মুখপাত্র জানিয়েছেন বুধবার পাক সেনা জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর মর্টার হামলা চালায়। যদিও এরপরই ভারতীয় সেনাও পাক সেনার অতর্কিত আক্রমণের পাল্টা জবাব দেয়। বুধবার রাত ১১টা ৩০মিনিট নাগাদ অবশেষে গোলাবর্ষণ থামে বলে জানা যায়।

'সন্ত্রাসবাদের উৎসস্থলে হানা দেওয়ার অধিকার রয়েছে'
এদিকে দায়িত্ব নেওয়ার দিনেই পাকিস্তানের এই হামলা। সঙ্গে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বাড়তে থাকা জঙ্গি ঘাঁটি। এই সব কিছুই নজরে রাখা হচ্ছে বলে জানান সেনাপ্রধান। মঙ্গলবার দায়িত্ব নেওযার পর, পাকিস্তান এবং সে দেশে বেড়ে চলা সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, 'এই ধরণের পরিস্থিতিতে ভারতের সন্ত্রাসবাদের উৎসস্থলে গিয়ে হানা দেওয়ার অধিকার রয়েছে।'

আগের অভিযানের কথা মনে করিয়ে দেন সেনাপ্রধান
তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০১৬ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের উরির সেনা ছাউনিতে হামলার পর, নিয়ন্ত্রণ রেখায় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করা হয়। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলার পর পাকিস্তানের বালাকোটে জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গি ঘাঁটিতে হানা দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা।

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন সেনাপ্রধান
এদিকে বৃহস্পতিবার অন্য একটি নিউজ চ্যানেলকেও সাক্ষাৎকার দেন সেনাপ্রধান। সেখানে তিনি জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে তিনি কথা বলেন। তিনি বলেন, '৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বিষয়টি পাকিস্তানের কাছে একটি আকস্মিক বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তারা এটা আশা করেনি। যা হয়ে গিয়েছে তা আর ফেরানো যাবে না। পাকিস্তান এখন এই পরিস্থিতি থেকে বেরিযে মুখ বাঁচাতে চাইছে। তবে পাকিস্তান বেশি দিন এই বিষয়টি চালিয়ে যেতে পারবে না। তারা এই বিষয়টি অনুধাবন করলে সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘনের সংখ্যাও কমবে।'












Click it and Unblock the Notifications