এবার রি-টুইট করলেও বিপদে পড়তে পারেন, জানুন কী বলছে সুপ্রিম কোর্ট
রি-টুইট করাও বিপদের হতে পারে। তা মানহানিকর বলে আইনে বিবেচ্য হতে পারে। এমনই মনে করছে সুপ্রিম কোর্ট।
রি-টুইট করাও বিপদের হতে পারে। তা মানহানিকর বলে আইনে বিবেচ্য হতে পারে। এমনই মনে করছে সুপ্রিম কোর্ট। আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। এই নিয়ে আপ কার্যকর্তা রাঘব চাড্ডার আবেদন ছিল, রি-টুইট নিয়ে আইনের কোনও উল্লেখ নেই। তার প্রেক্ষিতেই আদালত জানিয়েছে, রি-টুইটও মানহানিকর হতে পারে।

কেজরিওয়ালের যে রি-টুইট ঘিরে সমন পাঠানো হয়েছে, সেই প্রেক্ষিতে দেখতে গেলে রি-টুইট নিয়ে ভারতীয় আইনে কোনও ব্যাখ্যা নেই। তাহলে কেন তাঁকে সমন পাঠাল ট্রায়াল কোর্ট, তা জানতে চাওয়া হয়।
মুখ্য বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি এএম খানউইলকর, ডিওয়াই চন্দ্রচূড় সেই সওয়ালকে খারিজ করে দেন। বলা হয়, "কেউ যদি আপত্তিকর টুইটকে রি-টুইট করে বলে, আমি এর সৃষ্টিকর্তা নই। ফলে আমার অপরাধ নেই। তাহলে কি তা সঠিক হবে?"
অরুণ জেটলির তরফেও বরিষ্ঠ আইনজীবী মুকুল রোহতগি, রঞ্জিত কুমার ও সিদ্ধার্থ লুঠরা সওয়াল করেন। সকলেই রি-টুইটের দায়ে অভিযুক্ত কেজরিওয়াল ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে আইন মেনে আদালতকে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছেন।
অরুণ জেটলি ফৌজদারী মানহানির মামলা দায়ের করেছেন আম আদমি পার্টির নেতা আশুতোষ, কুমার বিশ্বাস, সঞ্জয় সিং, রাঘব চন্দ্র, দীপক বাজপেয়ী ও কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে। ২০০০-২০১৩ সাল পর্যন্ত দিল্লি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন জেটলি। সেখানেই দুর্নীতি নিয়ে দায়ী করে জেটলিকে টুইট করে বিদ্ধ করেন কেজরি।












Click it and Unblock the Notifications