২০২০-২১ অর্থবর্ষের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রকাশ করল আরবিআই
অপরিবর্তিতই থাকল রেপো রেট। আরবিআই জানায় যে রেপোরেট থাকছে ৫.১৫ শতাংশই। এদিকে রেপো রেট না কমানোর পাশাপাশি জিডিপির পূর্বাভাসও ঘোষণা করে আরবিআই। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়ে দেন যে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ভারতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার হবে ৬ শতাংশ। পাশাপাশি অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে দেশের প্রবৃদ্ধির হার ৬.২ শতাংশ থাকবে।

ষষ্ঠ দ্বি-মাসিক নীতিমালা সভা বসে
প্রসঙ্গত, আজ কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের ষষ্ঠ দ্বি-মাসিক নীতিমালা সভা বসেছিল। সেই সভা শেষেই এই ঘোষণা করেন গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। এদিকে মনেটারি পলিসির ৬ সদস্যই ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তিত রাখআর পক্ষে ভোট দেন। এদিকে ফেব্রুয়ারির নীতি পর্যালোচনার বিষয়ে মন্তব্য করে আরবিআইয়ের গভর্নর শাক্তিকান্ত দাস জানান যে মুদ্রানীতিতে স্থিতাবস্থা পুনরুদ্ধারকে ভবিষ্যতের নীতিমালা হিসাবে দেখা উচিত নয়। বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

পরবর্তী কিস্তিতে বদলাতে পারে রেপো রেট
এর আগে গতবছরের ডিসেম্বরে মনে করা হচ্ছিল চলতি আর্থিকবর্ষে ষষ্ঠবারের জন্য কমানো হতে পারে রেপো রেট। তবে সেই অনুমানকে ভুল প্রমাণ করে ও সবাইকে অবাক করে রেপোরেটে কোনও বদল আনেননি আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। এদিকে পরপর দুই বার রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার পর পরের কিস্তিতে রেপো রেটে বদল আনা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর আগে ডিসেম্বরে বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার পৌঁছেছিল ৪.৬২ শতাংশ। গত ১৫ মাসে এটি সর্বোচ্চ ছিল। তাই ব্যঙ্কিং ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা মনে করেছিলেন যে ২৫ বেস পয়েন্ট পর্যন্ত রেপো রেট কমাতে পারে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। এখনও পর্যন্ত চলতি আর্থিকবর্ষে রেপোরেটের ক্ষেত্রে ১৩৫ পয়েন্ট কমানো হয়েছে।

চাঙ্গা শেয়ার বাজার
রেপোরেট প্রাকাশের মধ্যেই আজ উর্ধ্বগামী হয় শেয়ার মার্কেট। বাজার খুলতেই ১৯৯.৫৩ পয়েন্ট বেড়ে যায় সেনসেক্স। শেয়ার বাজারের সূচক পৌঁছায় ৪১, ৩৪২.১৯ পয়েন্টে। নিফটিও বাড়ে ৬২.১ পয়েন্ট। আজ সকালে শেয়ার বাজারের উত্থানের ফলে বিপুল অর্থের বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় সংস্থাগুলির ক্ষেত্রেও বিনিয়োগের হার ভালো ছিল।












Click it and Unblock the Notifications