২০২৪ অর্থবর্ষে দেশের GDP বৃদ্ধি ৬.৪ শতাংশ, রেপোরেট বাড়িয়ে ঘোষণা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের
ফের রেপোরেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই নিয়ে চতুর্থ বার রেপোরেট বাড়াল আরবিআই
কয়েকদিন আগেই বাজেট পেশ করেছে মোদী সরকার। তাতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন বিশ্বের পঞ্চম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে ভারত। বুধবার ২০২৪ অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধি ঘোষণা করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তাতে ২০২৪ অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৪ শতাংশ বলে জানানো হয়েছে।

ফের রেপোরেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক
ফের রেপোরেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই বছরে প্রথমবার রেপোেরট বাড়ানোর কথা ঘোষণা করল আরবিআই। মুদ্রাস্ফীতিতে রাশ টানতেই রেপোরেট বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এক ধাক্কায় ২৫ বেসিস পয়েন্ট রোপোরেট বাড়িয়েছে আরবিআই। বাজেট অধিবেশনের পর এই প্রথম রেপোরেট বাড়ানো হল। গতবছর অর্থাৎ ২০২২ সালে মুদ্রাস্ফীতিতে রাশ টানতে চারবার রেপোরেট বাড়ায় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। কিন্তু তাতেও খুব একটা সুরাহা হয়নি।

জিডিপি গ্রোথ ঘোষণা RBI-র
রেপোরেট বাড়ানোর পাশাপাশি জিডিপি গ্রোথও ঘোষণা করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ২০২৪ অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধি ৬.৪ রেখেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এর থেকে বেসি রাখার সাহস পায়নি। যদিও বাজেট পেশের সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছিলেন ভারত বিশ্বের পঞ্চম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে। এর আগে ভারতের স্থান ছিল। সেই জায়গা থেকে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। আগামী ১০ বছরে ভারত কোন পর্যায়ে যাবে তার ব্লু প্রিন্ট হিসেবে তিনি বাজেট পেশ করছেন বলে জানিয়েছিলেন নির্মলা সীতারামন।

আদানিকাণ্ডে ধাক্কা
গতকয়েকদিন ধরে ভারতের অন্যতম প্রধান শিল্পপতি আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে ফাঁস হয়ে গিয়েছে আদানিদের কীর্তি। আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে শেয়ারবাজারে দর বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আদানিদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাদের এই দুর্নীতি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তোলপাড় রাজ্যরাজনীতি। এই নিয়ে তুমুল হট্টোগোল চলছে লোকসভা অধিবেশনে।

বাড়বে ইএমআই
মুদ্রাস্ফীতিতে রাশ টানতে রেপোরেট বৃদ্ধি বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু তাতে মধ্যবিত্তের চাপ বাড়বে বেশি। কারণ গাড়ি-বাড়িতে ইএমআই বাড়বে। ইএমআই নিয়েই একাদিক জিনিস কিনে থাকে মধ্যবিত্ত মানুষ। বারবার রেপোরেট বৃদ্ধিতে তাঁদের পকেটেই টান ধরে বেশি। সেকারণে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেপোরেট বাড়ানোর কথা বলা হলেও আদতে চাপ বাড়বে আম জনতারই। তাঁদেরই মোটা টাকা ইএমআই দিতে হবে। এবার আয়কর ছাড়ের পরিমান বাড়িয়ে মধ্যবিত্তের হাতে নগদ টাকা রাখার সুযোগ বাড়িয়ে দিয়েছে মোদী সরকার। উদ্দেশ্য ছিল নগদের লেনদেন বাড়িয়ে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।












Click it and Unblock the Notifications