ক্যাপিটল হিল এবং লালকেল্লার ঘটনাকে আলাদা করে কেন দেখা হচ্ছে? ফেসবুক-টুইটারকে কড়া বার্তা কেন্দ্রের
সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো খবর ছড়ালে অথবা হিংসায় ইন্ধন দিলে কড়া ব্য়বস্থা নেওয়া হবে৷ টুইটার নিয়ে যখন সরগরম দেশ ও রাজ্য রাজনীতি, ঠিক তখনই সংসদে একথা জানালেন কেন্দ্রীয় তথ্য়প্রযুক্তি মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ৷ পাশাপাশি এদিন রবিশঙ্কর প্রশাদ টুইটার-ফেসবুকের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, 'আপনারা ক্যাপিটল হিলের ঘটনাকে দাঙ্গা আখ্যা দিচ্ছেন, অথছ লালকেল্লার ঘটনাকে আলাদা চোখে দেখছেন, এই অসামঞ্জস্য কেন?'

ভারতীয় সংবিধান ও আইন মেনে চলতে হবে
রাজ্যসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে টুইটার, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্য়াপ এবং লিঙ্কডইনের নাম উচ্চারণ করে রবি শংকর বলেন, 'ভারতে আপনাদের লাখ লাখ ফলোয়ার আছে৷ আপানারা বিনামূল্য়ে ব্য়বসা করে অর্থ উপার্জন করছেন, কিন্তু আপনাদের ভারতীয় সংবিধান ও আইন মেনে চলতে হবে৷ আমরা সামাজিক মাধ্যমকে সম্মান করি৷'

সামাজিক মাধ্যম আমজনতাকে আরও শক্তিশালী করেছে
এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, 'সামাজিক মাধ্যম আমজনতাকে আরও শক্তিশালী করেছে৷ ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচিতেও সামাজিক মাধ্যমের বড় ভূমিকা রয়েছে৷ কিন্তু সামাজিক মাধ্যমকে হাতিয়ার করে কেউ যদি ভুয়ো তথ্য ছড়ান, হিংসায় মদত দেন, তাহলে কড়া ব্য়বস্থা নেওয়া হবে৷'

ভারতের মাটিতে বাকস্বাধীনতার সীমা
ভারতের মাটিতে বাকস্বাধীনতার সীমা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই টুইটারের সঙ্গে দড়ি টানাটানি চলছে মোদি সরকারের৷ সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে কৃষকদের ট্র্যাক্টর মিছিলে হিংসার পর ১ হাজার ৩০০-রও বেশি টুইটার হ্য়ান্ডেল বন্ধ করার নির্দেশ দেয় দিল্লি৷ সরকারের দাবি, ওইসব অ্যাকাউন্টে ভুয়ো তথ্য এবং উসকানিমূলক মন্তব্য পোস্ট করা হয়েছে৷ সাংবাদিক, সমাজকর্মী থেকে রাজনীতিক, কেন্দ্রের নিশানা থেকে বাদ পড়েননি কেউই৷ এমনকী, এঁদের একাংশের বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত করা হয়েছে৷












Click it and Unblock the Notifications