গরু পাচারচক্র প্রবলভাবে সক্রিয় পশ্চিমবঙ্গে : সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট
ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তার ফাঁক ফোকড়ে শক্তিশালী হচ্ছে বড়সড় গরু পাচারচক্র । ঘটনা ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাল সংসদীয় কমিটি।
নয়াদিল্লি, ২০ এপ্রিল : ইন্দো -বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তার ফাঁক ফোকড়েই বেড়ে চলেছে গরুপাচার। সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে সেই তথ্যই সামনে এসেছে। এছাড়াও দেখা গিয়েছে , একটি বড়সড় পাচারচক্র গরু পাচারের ঘটনার সঙ্গে জড়িত। আর এই গোটা ঘটনা ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাল সংসদীয় কমিটি।
পাশপাশি রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্ত এই মুহুর্তে সবচেয়ে বেশি বিপদজনক। শুধুমাত্র গরুপাচারই নয়,বিএসএফের কড়া পাহারা সত্ত্বেও এই সীমান্ত দিয়ে জঙ্গি ও বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতি অনুপ্রবেশের মতো ঘটনাও ঘটে চলেছে।

গোটা ঘটনায় কেন্দ্রের তরফে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দিকে আঙুল তোলা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকার ৮ কিলোমিটারের মধ্যে কোনও গবাদিপুশর 'হাট' বসানোর লাইসেন্স যেন না দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১ লা সেপ্টেম্বর কেন্দ্রের তরফে এই লাইসেন্স সংক্রান্ত একটি নির্দেশ লাগু করা হয়। কেন্দ্রের দাবি সেই নির্দেশ পালন করতে ব্যার্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।
রিপোর্টে সুপারিশ করা হয়েছে যে বিষয়গুলি-
- ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো গবাদিপশুর হাট রাখা চলবে না।
- আবগারী দফতরের তরফে বাজেয়াপ্ত গাবাদিপশুর নিলাম বন্ধ রাখতে হবে। কারণ এই নিলামের পর্বকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে গবাদিপশুর চোরাপাচারকারীরা।
- সীমান্ত এলাকার প্রায় ৫২৮ কিলোমিটার এলাকায় এখনও পর্যন্ত ফ্লাডলাইট দেওয়ার কাজ বাকি রয়েছে। ফ্লাড লাইট না থাকার কারণে চোরাপাচারকারীদের সুবিধা হচ্ছে বলে রিপোর্টে প্রকাশ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications