পতঞ্জলি আশ্রম থেকে উদ্ধার অপহৃত ব্যক্তি, কংগ্রেসের ষড়যন্ত্র বললেন রামদেব

বিপদ আর পিছু ছাড়ছে না বাবা রামদেবের। এবার এক অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার হলেন যোগগুরু বাবা রামদেবের পতঞ্জলির আশ্রম থেকে। বাবা রামদেবের ভাই রামভারত এই অপহরণের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। এই একই অভিযোগ বাবা রামদেবের ঘণিষ্ঠ শিষ্য নরেশ মালিকের বিরুদ্ধেও। সোমবার রাতেই কানখাল থানার পুলিশ রামভারত ও নরেশ মালিকের বিরুদ্ধ অপহরণ ও হেনস্থার মামলা দায়ের করে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে কানখাল থানার সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মীরা
মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য পড়ে যায় এলাকায়। এদিন সকালে একদল পুলিশ কর্মী পতঞ্জলির আশ্রমে ঢুকে তল্লাশি শুরু করে। কিছুক্ষণ পরে নীতিন ত্যাগি নামে এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশসূত্র্রের খবর, ছেলেকে পতঞ্জলি যোগপীঠে অপহরণ করে রাখা হয়েছে বলে নীতিন ত্যাগির বাবা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আশ্রমে অভিযান চালিয়ে নীতিন ত্যাগিকেকে উদ্ধার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, অপহৃত এই ব্যক্তি রামদেবের পতঞ্জলি আশ্রমেরই কর্মী।
পুলিশসূত্রের খবর, রামদেবের ভাই রামভারত ও নরেশ মালিকই ওই ব্যক্তিকে অপহরণ করে আশ্রমে জোর করে আটকে রাখা হয়েছিল। এমনকী অপহরণের পর ত্যাগিকে নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।
পতঞ্জলির আশ্রম থেকে অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার হয়েছে এই খবর ছড়াতে শুরু করলে এদিন সকালেই একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন বাবা রামদেব। তাঁর বিরুদ্ধে কুৎসা প্রচারের জন্যই কেন্দ্র ও উত্তরাখন্ডে ক্ষমতায় থাকা কংগ্রেস এসব ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেন রামদেব। তিনি রাজনৈতিক খেলার শিকার বলেও অভিযোগ যোগগুরুর। নীতিন ত্যাগির অপহরণ বিষয়ে রামদেবের বক্তব্য, পতঞ্জলী যোগপীঠের কর্মী নীতিন ত্যাগি ২৫-৩০ লক্ষ টাকা চুরি করতে গিয়ে হাতে নাতে ধড়া পড়ে। আশ্রমের নিরাপত্তারক্ষী তাকে কিছুক্ষণ আটক করে রাখে। পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে। কিন্তু বিষয়টি সম্পূর্ণ অন্য একটা রূপ দিয়ে অপহরণের ঘটনা সাজানো হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications