প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে রাজি রামদেব, "আপনি এতটাও সহজ নন", তিরস্কার সুপ্রিম কোর্টের
আবারও সুপ্রিম কোর্টের তিরস্কারের মুখে পড়লেন রামদেব বাবা। বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন মামলায় আগেই মুখ পুড়েছে রামদেব বাবার। এবার সেই মামলাতেই আরও একবার সর্বোচ্চ আদালতে ভর্ৎসনার মুখের পড়তে হল তাঁকে।
"আপনি এতটাও সহজ নন।" সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ যোগগুরু রামদেব বাবাকে এমন ভাবেই তিরস্কার করলেন। রামদেব বাবা ও আচার্য বালকৃষ্ণ সুপ্রিম কোর্টে এদিন ক্ষমা চাওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্ট এমন তিরস্কারের মন্তব্য করল।

বিচারপতি হিমা কোহলি ও বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমানুল্লাহর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলছে। সোমবার শুনানির সময় রামদেব বাবা জানিয়েছিলেন, কোনওভাবেই আদালতকে অসম্মান করার ইচ্ছা তাঁর নেই। শুধু তাই নয়, তাঁর সংস্থা আয়ুর্বেদিক ঔষধকে বিজ্ঞানভিত্তিক পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ফের এই মামলার শুনানি ছিল। তখনই রীতিমতো তিরস্কারের মুখে পড়লেন রামদেব বাবা। যে রোগ ঔষধে সারে না, তা কীভাবে আয়ুর্বেদ ঔষধের মাধ্যমে সারানো সম্ভব? কীভাবে রামদেব বাবার সংস্থা এই প্রচার করছে? সুপ্রিম কোর্ট এই প্রশ্ন তুলেছে।
এই ধরনের কোনও প্রতিশ্রুতি সাধারণ মানুষকে দেওয়া যায় না। এই কথা জানার পরেও কীভাবে বিজ্ঞাপনে এমন প্রচার করা হল? সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আইন সকলের জন্য সমান। এই কথাও আদালতের তরফে বলা হয়েছে। এমন কোনও উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। পাঁচ হাজারের বেশি প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা চলছে। এই কথা রামদেব বাবা জানিয়েছেন।
ভবিষ্যতে এমন হবে না। আরও বেশি সতর্ক থাকা হবে। জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া হবে। এই কথাও রামদেব বাবা আদালতে জানিয়েছেন। কিন্তু তারপরেও আদালত সন্তুষ্ট হয়নি। উনি মোটেও এত সরল নন। রামদেব বাবার আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে এই কথা ডিভিশন বেঞ্চ বলে।
যোগ ব্যায়ামের জন্য তিনি অনেক কিছুই করেছেন। অনেক ভালো কাজ করেছেন। নিজের ব্যবসাও তৈরি করেছেন। তিরস্কার করেছেন ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতি। রামদেব বাবা ক্ষমা চাইলেও, তা গ্রহণ করা হবে কী না, ভেবে দেখা হয়েছে? প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৩ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।












Click it and Unblock the Notifications