মন্দির বা মসজিদ নয় বৌদ্ধদের তীর্থস্থান ছিল অযোধ্যায়, দাবি বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের

মন্দির বা মসজিদ নয় বৌদ্ধদের তীর্থস্থান ছিল অযোধ্যায়, দাবি বৌদ্ধ সন্যাসীদের

অযোধ্যার রামমন্দির আর বিতর্ক যেন ক্রমেই সমার্থক হয়ে উঠেছে। ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর থেকেই এই স্থান একাধিকবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে৷ বিতর্কিত এই স্থানে মন্দির হবে না মসজিদ এই নিয়েও বিতণ্ডার শেষ ছিল না। অবশেষে ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যায় মন্দির তৈরির পক্ষে রায় দেয়। এরপর থেকেই ওই স্থানে শুরু হয়েছিল মন্দির তৈরির নির্মাণকাজ। কিন্তু এবার অযোধ্যা ঘিরে নয়া দাবি নিয়ে হাজির হলেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা,বসলেন অনশনেও।

রামজন্মভূমি আসলে বৌদ্ধদের তীর্থস্থান দাবী একদল বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর

রামজন্মভূমি আসলে বৌদ্ধদের তীর্থস্থান দাবী একদল বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর

সম্প্রতি হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রধান অবতার রাম ছিলেন নেপালের রাজপুত্র এবং অযোধ্যর অবস্থান ছিল নেপালেই এমনটাই দাবী করেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সেই মন্তব্যের রেশ ধরেই এদিন রামজন্মভূমিকে বৌদ্ধদের তীর্থস্থান বলে দাবী করেন একদল বৌদ্ধ সন্ন্যাসী। এমনকি, রামমন্দিরের নির্মাণকাজ অবিলম্বে বন্ধ করে ইউনেস্কোকে (UNESCO) দিয়ে খননকার্য চালানোর প্রস্তাবও দেয় তারা।

বৌদ্ধধর্মের পীঠস্থান সাকেত নগরী ছিল অযোধ্যাতেই

বৌদ্ধধর্মের পীঠস্থান সাকেত নগরী ছিল অযোধ্যাতেই

গত মঙ্গলবার অযোধ্যার রামজন্মভূমি ইউনেস্কোর-র হাতে তুলে দেওয়ার দাবীতে অযোধ্যায় জেলাশাসকের দফতরের সামনে আমরণ অনশনে বসেছিলেন বৌদ্ধসন্ন্যাসীরা। তাঁদের দাবী, মন্দির নির্মাণ করার জন্য রাম জন্মভূমি চত্বরে জমি সমান করতে গিয়ে যে সব প্রত্নবস্তু পাওয়া গিয়েছে, সেগুলো জনসমক্ষে আনতে হবে।বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস মেলার পরে অনশন প্রত্যাহার করেন সন্ন্যাসীরা।বৌদ্ধ অনুগামীদের মতে, প্রাচীন যুগে যে সাকেত নগরী বৌদ্ধ ধর্মের পীঠস্থান ছিল, সেই সাকেত ছিল এখনকার অযোধ্যাতেই।

 নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার আগে অযোধ্যায় মিলেছিল শিবলিঙ্গ

নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার আগে অযোধ্যায় মিলেছিল শিবলিঙ্গ

এদিকে অযোধ্যার রামমন্দির নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাস্ট জানায়, গত মে মাসে রামমন্দিরের প্রস্তাবিত স্থানে বৌদ্ধ সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত এমন কোনও বস্তুরই নজির মেলেনি। বরং মিলেছে একটি শিবলিঙ্গ, সাতটি কালো কষ্টিপাথরের স্তম্ভ, ছ'টি লাল বেলেপাথরের স্তম্ভ, একটি ফুলের আকারে স্তম্ভশীর্ষ এবং দেবদেবীর চারটি ভাঙা বিগ্রহ।

 নির্মাণকাজ বন্ধ না হলে ফের বিক্ষোভের হুমকি বৌদ্ধদের তরফে

নির্মাণকাজ বন্ধ না হলে ফের বিক্ষোভের হুমকি বৌদ্ধদের তরফে

ঘটনা প্রসঙ্গে আজাদ বৌদ্ধ ধর্ম সেনার প্রধান জানান, " আমাদের দাবী দাওয়া স্পষ্ট ভাবেই আমরা স্মারকলিপিতে জানিয়েছি। রামমন্দিরের কাজ বন্ধ করে খননকার্য শুরু না হলে ফের আন্দোলনে নামা হবে"। অন্যদিকে ফৈজাবাদ সিটি ম্যাজিস্ট্রেট এসপি সিং জানান, 'বৌদ্ধ নেতাদের স্মারকলিপি আমরা পেয়েছি,বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া হবে।"

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+