রাম রহিমের গুম্ফা ভরা ছিল কন্ডোম ও কন্ট্রাসেপটিভে, বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস পুলিশের, আর কী কী সামনে এল
রাম রহিমের গুম্ফায় একটি ঘর শুধু কন্ডোম ও কন্ট্রাসেপটিভে ঠাসা ছিল। গুরমিত রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের তদন্তকারী অফিসার এম নারায়ণন একথা জানিয়েছেন।
ডেরা সাচা প্রধান গুরমিত রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের তদন্তকারী অফিসার এম নারায়ণন জানিয়েছেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং কীভাবে পাঞ্জাব ও হরিয়ানার সাংসদ বিধায়কদের সামলে সিবিআই দিয়ে রাম রহিমের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে দিয়েছিলেন।

নারায়ণন সিবিআইয়ের অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি। তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে তদন্ত চালাতে গিয়ে পদে পদে রাম রহমের সমর্থকদের হুমকির সামনে পড়তে হয়েছে তাঁদের। কবে মনমোহন সিং কীভাবে আইনের পথে চলচে সিবিআই আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছিলেন তা মনে করিয়ে দিয়েছেন এই প্রাক্তন সিবিআই অফিসার। পাশাপাশি তিনি ফাঁস করেছেন, ডেরা সাচার মধ্যে কেমন জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিল রাম রহিম।
জানা গিয়েছে, রাম রহিমের গুম্ফায় একটি ঘর শুধু কন্ডোম ও কন্ট্রাসেপটিভে ঠাসা ছিল। রাম রহিম পাগল ছিল, একেবারে আদ্যন্ত পশু, এভাবেই ব্যাখ্যা করেছেন এম নারায়ণন।
১৯৯৯ থেকে ২০০২ সালের মধ্যে যৌন হেনস্থার কারণে অন্তত ২০০ জন সাধ্বী ডেরা ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে মাত্র ১০জনকেই খুঁজে বের করা সম্ভব হয়েছে। শেষপর্যন্ত দুজনের বয়ানের ভিত্তিতে সিবিআই চার্জশিট তৈরি করে রাম রহিমের সাজার পথ প্রশস্ত করেছে।
গত সপ্তাহের শেষে রাম রহিম সিংকে ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে হরিয়ানার বিশেষ সিবিআই আদালত। দুটি মামলায় মোট ২০ বছরের সাজা দিয়েছে আদালত। এর পাশাপাশি খুন ও ষড়যন্ত্রের মামলাও চলছে রাম রহিমের নামে। সেই মামলাতেও শাস্তির খাঁড়া নেমে আসতে পারে।
এম নারায়ণনের মতে, গুম্ফার ভিতরে মহিলা বেষ্টিত হয়ে একেবারে রাজার মতো থাকত রাম রহিম। রাত দশটার সময়ে প্রধান সাধ্বীর কাছে ফোনে নির্দেশ যেত কোনও একজন সাধ্বীকে পাঠিয়ে দিতে। তার সঙ্গেই রাত কাটাত রাম রহিম।
রাম রহিমের সাজার পরে ১৮ জন নাবালিকাকে ডেরা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মেডিক্যাল পরীক্ষাও করা হয়েছে। তাদের সঙ্গেও কোনও খারাপ কিছু করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications