Ram Mandir: রামের নামে সব করেছেন, সাক্ষ্য দিয়েছেন, কিন্তু উদ্বোধনে আমন্ত্রণ পাননি! বেদনা এক যাদব পরিবারে

Ram Mandir: রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিন ঠিক হয়ে গিয়েছে অনেক আগে। অভিষেক অনুষ্ঠানে কারা আমন্ত্রিত থাকবেন, সেই তালিকাও তৈরি হয়ে গিয়েছে। তালিকায় জায়গা পাননি সীতারাম যাদব কিংবা তার পরিবারের কেউ। অথচ এই পরিবারটি কীই না করেছে রাম মন্দিরের তৈরি পর্বে! বাবরি ধ্বংসের পরে তাঁর দোকাও ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য কোনও ক্ষতিপূরণ পায়নি ওই পরিবার।

অযোধ্যা এই যাদব পরিবারের বেদনা প্রকাশ পেয়েছে রামলালার মূর্তি বিসর্জনের ঠিক আগে। সীতারম যাদব জানিয়েছেন, ১৯৫০ সাল থেকে বাবার সঙ্গে রামলালার জন্য প্রসাদ তৈরি করে আসছেন। আজও ভগবান শ্রী রামকে নিবেদনের জন্য প্রতিদিন তাঁদের দোকান থেকে রাবড়ি ও পেড়া নেওয়া হয়। এখানেই শেষ নয়। তিনি ও তাঁর বাবা ছিলেন রাম জন্মভূমি মামলার সাক্ষী। এহেন একটি পরিবার অভিষেক অনুষ্ঠানের বাইরে। তবে পরিবার বলেছে, আমন্ত্রণ পেলে ঠিক আছে, না পেলেও ঠিক আছে। তাঁরা রামলালার সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।

রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পাওয়ার বেদনা

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে সীতারাম যাদবের বাবা অযোধ্যায় ছোট রাবড়ি ও পেড়ার দোকান চালাতেন। তিনি নিজে রামমন্দিরে প্রসাদ দেওয়ার জন্য বাতাসাও তৈরি করতেন। সেই সময়ে তাঁর দোকানটি ছিল একমাত্র যেখান থেকে ভগবান রামের প্রসাদ যেত, যা আজও চলে আসছে।

এখন সীতারাম যাদবের বয়স প্রায় পঁচাত্তর বছর। বাবার দেওয়া দোকান তিনিই চালাচ্ছেন এখনও। আজও তাঁর দোকান থেকে রামলালাকে নিবেদনের জন্য পাঁচ কেজি রাবড়ি ও পেড়া কেনা হয়। রামলালা তাঁবুতে থাকার সময় থেকেই এই প্রক্রিয়া চলে আসছে। এই সময় বার্ধক্যের কারণে মেয়ে শ্যামা যাদব তাঁর কাজে সাহায্য করেন।

সীতারাম যাদব জানিয়েছেন, তিনি বাবার সঙ্গে রামলালাকে দেওয়ার জন্য বাতাসা তৈরি করতেন। বাবা মারা গিয়েছেন ২০ বছর আগে। তারপর থেকে তিনিই রামলালার ভোগের প্রসাদ তৈরি করেন। একটা সময় দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। চোখের সামনে দেখেছিলেন, মন্দিরের তালা খুলে রামলালাকে বের করে আনা হচ্ছে। তারপর সরকার ক্ষতিপূরণ দিতে গেলে তিনি তা রামের নামেই সব অর্পণ করেন। সেই সীতারাম যাদব কিংবা তাঁর পরিবারের কেউ অভিষেক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি কিংবা আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

সীতারাম যাদবের মেয়ে শ্যামা যাদব জানিয়েছেন, তাঁর বাবার হাতে তৈরি ভোগ যায় রামলালার জন্য। বাবা সরকারি গাড়িতে করে রাম জন্মভূমি মামলায় সাক্ষ্য দিতে যেতেন। কিন্তু আজ আমন্ত্রণ না পাওয়ায় কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু বাবা মুখ ফুটে সেকথা কখনও বলেন না। তিনি রামের সেবাতেই নিয়োজিত রয়েছেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+