Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মন্দির আন্দোলনে ছিলেন অন্য ধর্মাবলম্বীরাও! রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠায় লঙ্গর নিহঙ্গ শিখদের

Ram Mandir Inauguration: রাম জন্মভূমি আন্দোলনে নিহঙ্গ শিখদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। তাঁদেরই একজন বাবা হারজিৎ সিং রসুলপুর আগেই ঘোষণা করেছিলেন তিনি ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরে অভিষেক অনুষ্ঠানের দিন সারা বিশ্ব থেকে আগত ভক্তদের সেবা করার জন্য লঙ্গর সেবার আয়োজন করবেন।

বাবা হারজিৎ সিং জানিয়েছে, তিনি তাঁর পূর্ব পুরুষ বাবা ফকির সিংয়ের খালসা উত্তরাধিকারকে এগিয়ে নিয়ে যেতেই এটি করবেন। বাবা ফকির সিং ১৬৫ বছর আগে বাবরি মসজিদে প্রবেশ করেছিলেন বলে দাবি। নিহঙ্গ শিখরা শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে স্বতন্ত্র। তাঁদের পোশাক ও আচরণবিধিও আলাদা। দশম শিখ গুরু গুরু গোবিন্দ সিংয়ের সময় থেকে তাঁদের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। বাবা হরজিৎ সিং রসুলপুর ফকির সিং খালসার অষ্টম বংশধর।

Ram Mandir Inauguration

নিহঙ্গ শিখরা স্বতন্ত্র নীল পোশাক পরেন। মাথায় চক্র দেওয়া পাগড়ি। তাঁরা তলোয়ার কিংবা ছোরার মতো অস্ত্র বহন করে থাকেন। সাধারণভাবে তাঁরা মার্শাল আর্টে দক্ষ। ঐতিহাসিকভাবে তাঁরা শিখ উপাসনালয় এবং সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য নিবেদিত ও অভিজাত বাহিনী হিসেবে কাজ করেন।

সুপ্রিম কোর্টে রাম জন্মভূমি মামলা চলার সময় হিন্দু পক্ষ ১৮৫৮ সালের ২৮ নভেম্বরের একটি রিপোর্টের কথা উল্লেখ করেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল নিহঙ্গ শিখ বাবা ফকিং সিং খালসা বাবরি মসজিদের ভিতরে ঢুকে পুজো করেছিলেন। সেখানে আরও বলা হয়েছিল, বাবা ফকির সিং মসজিদের ভিতরে ঢুকে দশম শিখ গুরু গোবিন্দ সিংয়ের স্লোগান দেন এবং ভগবান রামের প্রতীক স্থাপন করেন এবং দেওয়ালে রাম রাম লিখেদেন।

বাবা ফকির সিং যে সময় এটি করেছিলেন, সেই সময় তাঁর সহকর্মী অন্তত ২৫ জন মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়েছিলেন, বাইরের কাউকে ভিতরে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন। তাঁরা মসজিদের ভিতরে একটি বেদিও তৈরি করে দেন। যেখানে ভগবান রামের মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল।

সুপ্রিম কোর্ট রায় দেওয়ার সময় এই ফকির সিংয়ের কথা উল্লেখ করেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল ১৯৫৮ সালের ১ ডিসেম্বর অওধের থানেদার বাবা ফকির সিংকে তলব করেছিলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। তার আগে তৎকালীন বাবরি মসজিদের মুয়াজ্জিন অওধ প্রশাসনের কাছে মুসলিমদের ওপরে হিন্দুদের প্রকাশ্য অত্যাচার বলে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

১৮৬০ সালের নভেম্বরে অওধের ডেপুটি কমিশনারের কাছে আরেকটি অভিযোগ জমা পড়ে। তারপর নিহঙ্গ শিখদের সেখান থেকে উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু সেখানে আদের উপস্থিতির রেকর্ড বজায় রাখা হয়েছিল।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+