চিনের সঙ্গে সংঘাত নয়, আলোচনায় হোক সমাধান চাইছেন রাজনাথ সিং
চিনের সঙ্গে সংঘাত নয়, আলোচনায় হোক সমাধান চাইছেন রাজনাথ সিং
আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই চিন সীমান্তে শান্তি ফেরাতে চায় ভারত। দেশ কখনোই চায় না যে, চিন সীমান্তের শান্তি কোনও কারণে বিঘ্নিত হোক। সোমবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের কথায় উঠে এল এমনই বিষয়। তবে এদিন তিনি এটাও স্পষ্ট করে দেন যে, কোনওরকম একপাক্ষিক দাদাগিরি সহ্যও করবে না ভারত৷

কী বললেন রাজনাথ সিং?
পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত জাতীয় সুরক্ষা বিষয়ক একটি সেমিনারে বক্তব্য পেশ করছিলেন রাজনাথ সিং। যেখানে তিনি বলেন,চিন সীমান্তের বিবাদের ক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য রয়েছে। তাছাড়া সেখানে বেশ কিছু চুক্তি, সন্ধি ইত্যাদিও রয়েছে যা মেনে টহল দেয় দুই দেশের সেনা। গতবছর গলওয়ানে এই চুক্তি না মেনেই অনুপ্রবেশ করতে চেয়েছিল চিনা লাল সেনা। আমরা তা প্রতিরোধ করে জবাব দিয়েছিলাম। আমরা কোনওভাবেই চিনা সেনাকে এককভাবে সীমান্তে বাড়াবাড়ি করতে দিতে পারি না। গলওয়ানে সেদিন রুখে দাঁড়িয়েছিল ভারতীয় সেনা, সে কারণেই বাড়াবাড়ি করার সুযোগ পায়নি চিন।

রাজনাথ আরও বলেন!
এদিন রাজনাথ আরও বলেন, 'আলোচনার মাধ্যমেই চিনের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদ মেটাতে চায় ভারত। আমরা কোনওভাবেই চাই না সীমান্তে শান্তি বিঘ্নিত হোক।

কী হয়েছিল গালওয়ানে?
গত বছর গালওয়ানে হঠাৎ-ই ভারতের সীমান্তে ঢোকার চেষ্টা করেছিল চিন। কাপুরুষের মতো ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পিছন থেকে আক্রমণও করেছিল। সেই আক্রমণে শহিদ হারিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন ভারতীয় জওয়ান৷ তবে পাল্টা দিতে ছাড়েনি ভারতও। গালওয়ানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে উত্তম মধ্যম খেয়েছিল চিনের লালফৌজের জওয়ানরা৷ মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের প্রকাশিত খবর ছিল ওই সময় নিজেদের পরাজয়ের দাগ লুকতে সেনা মৃত্যুর কথা অস্বীকারও করে চিন। তবে তারপর থেকেই চিনের অনুপ্রবেশের চেষ্টাকে নাস্তানাবুদ করে দেয় ভারতীয় সেনা। তারপর একধিকবার আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছে চিনের সেনাবাহিনীও৷

ভারতের'অফেন্সিভ ডিফেন্স' রণনীতি!
তবে চিন সীমান্তে 'অফেন্সিভ ডিফেন্স' রণনীতি নিয়েছে ভারত। এর আগে চিন সীমান্তে শুধু রক্ষণাত্মক নীতিতে চলত ভারত। অর্থাৎ আক্রমণ করলে তা প্রতিহত করা৷ কিন্তু এবার চিন সীমান্তে ভীষ্ম ট্যাঙ্ক থেকে রাফায়েল বিমান সাজিয়ে শত্রুর আক্রমণের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে ভারত।

তিব্বতীদের নিয়ে নতুন বাহিনী চিনের!
যদিও গালওয়ানে উঁচু বরফাবৃত্ত জায়গাতে ভারতের সেনাবাহিনীর সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে তিব্বতীদের নিয়ে মিমাং বলে একটি বিশেষ বাহিনী তৈরি করেছে চিন৷ যারা মূলত ভারত চিন সীমান্তের উঁচু জায়গাগুলোতে চিনা লাল ফৌজের চোখ কান হিসেবে কাজ করবে৷ প্রসঙ্গত ভারত চিন সীমান্তের আবহাওয়ার সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে তিব্বতের তাই সেখানের যুবকদের নিয়ে বাহিনী গড়ে ভারতেকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে চাইছে চিন৷












Click it and Unblock the Notifications