মোদী-বিরোধীদের 'পাকিস্তানপন্থী' বলে দলেরই কোপে গিরিরাজ
গতকাল দেওঘর শহরের কাছে মোহনপুরহাট ময়দানে লোকসভা ভোটের প্রচারে গিয়ে গিরিরাজ সিং বলেছিলেন, "যারা নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতা করছে, তারা পাকিস্তানের দিকে তাকিয়ে আছে। এদের পাকিস্তানে চলে যেতে হবে। ভারতে কোনও জায়গা হবে না। বিহারে আর সারা দেশে অনেক পাকিস্তানপন্থীরা চাইছে নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রী হওয়া আটকাতে। এদের ভারতে বসবাসের কোনও অধিকার নেই।"
পরে গিরিরাজ সিং সাংবাদিকদের বলেন, "আমি বলতে চেয়েছি, যারা নরেন্দ্র মোদীকে আটকাতে চাইছে, তারা পাকিস্তানের প্ররোচনায় এ সব করছে। এরা পাকিস্তানপন্থী। এরা এ দেশে থাকতে পারবে না।"
এই ঘটনার পরই নিন্দার ঝড় ওঠে। কংগ্রেস নেতা কে সি মিত্তল বলেন, "একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে ভয় দেখাতে এই ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাব। এটা দেশকে ভাগ করার ষড়যন্ত্র।" আর এক কংগ্রেস নেতা মিম আফজল বলেন, "এই বিষয়টা নির্বাচন কমিশনের দেখা উচিত এবং জেলে পাঠানো উচিত গিরিরাজ সিংকে।"
এই মন্তব্যের নিন্দায় সরব হয় রাষ্ট্রীয় জনতা দলও। তারা দাবি করেছে, গিরিরাজ সিংকে ক্ষমা চাইতে হবে।
<blockquote class="twitter-tweet blockquote" lang="en"><p>BJP doesn't approve of irresponsible statement given by Giriraj Singh.</p>— Sushil Kumar Modi (@SushilModi) <a href="https://twitter.com/SushilModi/statuses/457747603728257026">April 20, 2014</a></blockquote> <script async src="//platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>জল মাথার ওপর বুঝে রবিবার সকাল থেকেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামে বিজেপি। বিহারের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুশীলকুমার মোদী টুইট করে বলেন, "বিজেপি গিরিরাজ সিংয়ের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যকে অনুমোদন করছে না।" এর পরই রাজনাথ সিং যোগাযোগ করেন গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে। কেন এমন মন্তব্য তিনি করলেন, তা জানতে চান। এর ফলে বিজেপি-র ভাবমূর্তি যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটা বোঝান। হুঁশিয়ারি দেন, ভবিষ্যতে এমন কথা বললেন শৃঙ্খলাভঙ্গে দায়ে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে দল।













Click it and Unblock the Notifications