রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে উত্তাল সংসদ! ক্ষমা চাওয়ার দাবি রাজনাথ সিংয়ের
Budget Session: বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর করা মন্তব্য ঘিরে সমালোচনার ঝড়! গত কয়েকদিন আগেই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া এক বক্তব্যে দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন বলে মন্তব্য করেন কংগ্রেস নেতা। আর এরপর থেকেই লাগাতার কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছে। আজ সোমবার এই ইস্যুতেই উত্তাল হয় সংসদ।
রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Defence Minister Rajnath Singh)। শুধু তাই নয়, সংসদে অবিলম্বে রাহুল গান্ধীর ক্ষমা চাওয়া উচিৎ বলেও মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা।

সবার একযোগে নিন্দা করা প্রয়োজন
রাজনাথ সিং সংসদে এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আরও বলেন, রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের সবার একযোগে নিন্দা করা প্রয়োজন। সদনের একজন দায়িত্ববান সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও লন্ডনে ভারতের অপমান করেছেন। শুধু তাই নয়, সদনের সমস্ত সদস্যদের উচিৎ এই বিষয়ে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সরব হওয়া। এমনকি রাহুল গান্ধীর সাংসদে দাঁড়িয়ে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ বলেও এদিন মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী। যা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক।

আক্রমণ শানান কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পীযুষ গোয়েল
তবে এই প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ শানান কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পীযুষ গোয়েল। বলেন, একজন বিরোধী নেতা বিদেশে গিয়ে ভারতীয় গণতন্ত্রকে আক্রমণ করেছেন। ভারত এবং সংসদের সদস্যদের অপমান করছেন । তবে ভারতে বাকস্বাধীনতা রয়েছে বলে ফের একবার মনে করিয়ে দেন কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, সংসদে সদস্যরা কথা বলতে পারেন বলেও জানান। ফলে এমন মন্তব্যের জন্যে রাহুল গান্ধীর অবশ্যই ক্ষমা চাওয়া উচিৎ বলেও এদিন মন্তব্য করেন পিয়ুষ গোয়েল।

কেন দেশদ্রোহের মামলা হবে না
অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কেন দেশদ্রোহের মামলা হবে না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। রাহুল গান্ধী যেভাবে লন্ডনে কথা বলেছেন তা লোকসভার অপমান। স্পিকারের উচিৎ রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মামলা করা। শুধু তাই নয়, লোকসভার অপমান করার জন্যে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা রুজু করার দাবি জানিয়েছেন বর্ষীয়ান এই বিজেপি নেতার। বাজেট অধিবেশনের পর আজ এই ইস্যুতে একেবারে দফায় দফায় উত্তল হয় সংসদ। যার জেরে একটা সময় পর

কি বলেছিলেন রাহুল গান্ধী?
রাহুল বলেন, ভারতে গণতন্ত্র বিপন্ন। সংসদে বিরোধীদের বলতে দেওয়া হয়। বলতে গেলে মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি সিবিআই এবং ইডির মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি দিয়ে মুকখ বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন রাহুল গান্ধী। আর এহেন মন্তব্য ঘিরেই তৈরি হয়েছে যাবতীয় বিতর্ক।












Click it and Unblock the Notifications