'দেশ কে গদ্দারো কো গোলি মারো', স্লোগান উঠল দিল্লির রাজীব চক মেট্রো স্টেশনে
এখনও ঠান্ডা হয়নি দিল্লি। স্তিমিত হয়েছে মাত্র আগুন। তারই মধ্যে নতুন করে জেগে উঠল দেশ কি গদ্দারো কো গোলি মারো স্লোগান।
এখনও ঠান্ডা হয়নি দিল্লি। স্তিমিত হয়েছে মাত্র আগুন। তারই মধ্যে নতুন করে জেগে উঠল দেশ কি গদ্দারো কো গোলি মারো স্লোগান। শনিবার দিল্লির রাজীব চক মেট্রো স্টেশন যেন গমগম করছিল বিতর্কিত সেই স্লোগানের উচ্ছ্বাসে। সঙ্গে সঙ্গে ছুয়ে যায় পুলিস। তারপরেও বেশ কয়েকবার মুখরিত হয়েছে স্লোগান। পুলিস তৎপরতার সঙ্গে পদক্ষেপ করে।

ফের 'গোলি মারো' স্লোগান দিল্লিতে
মাত্র কয়েঘণ্টা হয়েছে জ্বলন্ত দিল্লির তাপ কমেছে। এরই মধ্যে নতুন করে ছাইয়ের গাদায় চাপা থাকা আগুন উস্কে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। দিল্লির রাজীব চক মেট্রো স্টেশনে শনিবার সকালে প্রবল উচ্ছ্বাসে উচ্চারিত হয় 'দেশ কি গদ্দারো কো গোলি মারো' স্লোগান। লিঙ্ক ব্রিজের উপর থেকে জনা দশের যুবক স্লোগান দিতে থাকেন। সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পুলিস যদিও মুহূর্ত সময় নষ্ট করেনি। সঙ্গে সঙ্গে যুবকদের গিয়ে আটক করে।

ইন্ধনে অনুরাগ ঠাকুর
উস্কানির এই স্লোগান সৃষ্টি করেছিলেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর। দিল্লি বিধানসভা ভোটের নির্বাচনি প্রচারে িগয়ে শাহিনবাগের সিএএ আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য করে বিজেপি সাংসদ বলেছিলেন 'দেশ কি গদ্দারো কো গোলি মার'। তারপরে নির্বাচন কমিশন বিজেপিকে নোটিস পাঠিয়েছিল তারকা প্রচারকের তালিকা থেকে তাকে বাদ দেওয়ার। তবে প্রচার বন্ধ করা হয়নি তাঁর।

উস্কানির স্লোগানেই জ্বলছে দিল্লি
অনুরাগ ঠাকুর থেকে কপিল মিশ্র একের পর এক বিজেপি নেতাদের উস্কানি মূলক মন্তব্যের কারণেই েয দিল্লি বিধানসভা ভোটে বিজেপির বিপুল পরাজয় সেটা স্বীকার করে নিয়েছিলেন অমিত শাহ। কিন্তু উত্তর-পূর্ব দিল্লি যে সেই রাগ পুষে রেখেছিল সেটা বোঝা গিয়েছে হত কয়েকদিনে। প্রবল হিংসায় জ্বলেছে দিল্লি। ১৯৮৪-র শিখ দাঙ্গার পর এই প্রথম এরকম হিংসাত্মক হয়ে উঠেছিল রাজধানী। সেই আগুন নিভতে না নিভতেই আবার উস্কানি শুরু হয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications