পুজোয় জনসংযোগই হাতিয়ার তৃণমূলের, তেইশের নির্বাচনের আগে প্রচারের নয়া পন্থা রাজীবের
পুজোর বাংলায় জনসংযোগই হাতিয়ার করছে তৃণমূল। ত্রিপুরাতেও একই পথ নিয়েছে তৃণমূল। বছর ঘুরলেই বোট। তার আগে এবার পুজোকে জনসংযোগের কাজে লাগাতে বদ্ধপরিকর ত্রিপুরা তৃণমূলের ইনচার্জ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।
পুজোর বাংলায় জনসংযোগই হাতিয়ার করছে তৃণমূল। ত্রিপুরাতেও একই পথ নিয়েছে তৃণমূল। বছর ঘুরলেই বোট। তার আগে এবার পুজোকে জনসংযোগের কাজে লাগাতে বদ্ধপরিকর ত্রিপুরা তৃণমূলের ইনচার্জ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দেবীপক্ষের সূচনা থেকেই সেই কাজ করে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শারদ উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তাঁরা বার্তা দিচ্ছেন মানুষের পাশে থাকার।

বাংলার মতো ত্রিপুরাতেও মানুষের সরকার গঠন করতে চেয়েছিল তৃণমূল। বিজেপির অপসংস্কৃতির সরকারকে উৎখাত করতে ইউনিট গড়ে তুলেছিল ত্রিপুরায়। কিন্তু ত্রিপুরায় পা দিয়ে এখনও পর্যন্ত বড় কোনও সাফল্য পায়নি তৃণমূল। প্রথম আবির্ভাবেই পুরভোটে ২০ শতাংশ ভোট পাওয়া যদি তৃণমূলের আশার আলো হয়, তবে অন্ধকার নিশ্চয়ই উপনির্বাচনে ২০ থেকে ২ শতাংশে নেমে যাওয়া।
চার আসনের উপনির্বাচনে জামানত জব্দ হয়েও তৃণমূল হাল ছাড়ছে না। বরং কণ্ঠ ছাড়ছে জোরে। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতিকে সরিয়ে দিয়েও বাংলার প্রাক্তন মন্ত্রী ত্রিপুরায় ইনচার্জ হয়ে দল চালাচ্ছেন। সঙ্গে আছেন অসমের সুস্মিতা দেবও। মোট কথা তৃণমূল রণেভঙ্গ দিতে নারাজ। তাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়তে চান। বিজেপিকে হারাতে চান ত্রিপুরায়।
সেই লক্ষ্য নিয়েই শারদীয়া উৎসব তথা দুর্গাপুজোকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল। এবার পুজোয় মানুষকে বার্তা দিতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস সর্বদা তাঁদের পাশে আছে। আর তা করতে ৫০০০ বস্ত্র তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরার মানুষকে পুজো
ল কংগ্রেস। তাই এই অবস্থায়, শারদীয়া উৎসব উপলক্ষ্যে ৫,০০০ জন মানুষকেয় নতুন বস্ত্র উপহার দেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় বার্তা দিতে চাইছে। এবং জনসংযোগ ঘটাতে চাইছে।
ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস থেকে এই বস্ত্র বিতরণ শুরু করা হয়েছে। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের ইনচার্জ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শান্তনু সাহা, মহিলা তৃণমূল কংগরেসের সভাপতি পান্না দেব এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন এই ঘরোয়া অনুষ্ঠানে। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস পুজোর আগে আগরতলার বুকে কয়েকজন মায়ের হাতে বস্ত্র তুলে দিতে পেরে খুব খুশি। এরপর আমরা সমস্ত রাজ্যজুড়ে প্রায় ৫০০০ পরিবারের কাছে এই বস্ত্র পুজোর উপহার স্বরূপ তুলে দেব।
ত্রিপুরার রাজধানী শহর আগরতলায় প্রায় ৫০০ জনকে বস্ত্র উপহার দেওয়া হয়। এরপর জেলায় জেলায় এভাবেই চলবে উৎসব পরিক্রমা ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান। রাজীব বলেন, এভাবেই আমরা মানুষের কাছে পৌঁছতে চাই। মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে বনিতে চাই। ধীরে ধীরে সেই কাজ আমরা করছি। আমাদের দলও ধীরে ধীরে বাড়ছে। ধারাবাহিকভাবে নীচুতলার কর্মীরা আসছেন আমাদের দলে। শক্তিশালী হচ্ছে তৃণমূল।












Click it and Unblock the Notifications