রাজস্থানের মন্ত্রিসভায় পাল্লা ভারী সচিন পাইলটের, কী বললেন অশোক গেহলট
রাজস্থানের মন্ত্রিসভায় পাল্লা ভারী সচিন পাইলটের, কী বললেন অশোক গেহলট
২০২৩-এ বিধানসভা ভোট রাজস্থানে। সেই কথা মাথায় রেখেই কী মন্ত্রিসভায় রদবদল করা হল এই নিয়ে জল্পনা বাড়ল। কারণ নতুন মন্ত্রিসভায় সচিন অনুগামীদের সংখ্যা বেড়েছে। তাই রাজনৈতিক মহল মনে করছে ২০২৩-এর বিধানসভা ভোটে কথা মাথায় রেখেই সচিন পাইলটকে মুখ করতে চাইছে কংগ্রেস হাই কমান্ড যেমনটা পাঞ্জাবে সিধুকে সামনে রেখে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাইকমান্ড।

রাজস্থানের নতুন মন্ত্রিসভায় সচিন পাইলটের অনুগামীর সংখ্যা বেড়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন, সচিন পাইলটের অনুগামী হেমারাম চৌধুরী, মরারি লাল মিনা, জাহিদ খান, রাজেন্দ্র সিং গুদ্ধা, ব্রিজেন্দ্র ওলারা। তারপর থেকেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে তাহলে কি ২০২৩-র বিধানসভা ভোটে সচিন পাইলটকে মুখ করেই লড়তে চাইছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। যদিও সাংবাদিক বৈঠক করে সচিন পাইলট দাবি করেছেন রাজস্থানের উন্নয়নের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এর মধ্যে দলবাজির কোনও জায়গা নেই। ২০২৪-র লোকসভা ভোটে কংগ্রেসই জিতবে রাজস্থানে।
অন্যদিকে অশোক গেহলট মন্ত্রীদের শপথ গ্রহনের আগে বার্তা দিয়েছেন ২০২৩-ল বিধানসভা ভোটে একজোট হয়ে লড়বে কংগ্রেস। ফের সরকার গড়বে রাজস্থানে। যাঁরা মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়লেন তাঁরা নিজেদের কোনও অংশেই কম বলে মনে করবেন না। তাঁরাও যথেষ্ট দক্ষ মন্ত্রীদের সমকক্ষ বলে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। জয়পুরে গেহলটের সঙ্গে দেখা করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চান্নি। পাঞ্জাবের মডেলে রাজস্থানকে সাজাতে চাইছে কংগ্রেস হাইকমান্ড এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
রাজস্থানে একটা সময়ে কংগ্রেসের অন্দরে বিরোধ চরমে উঠেছিল। সচিন পাইলটের সঙ্গে অশোক গেহলটের বিরোধ এতটাই চরমে উঠেছিল যে টলমল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল রাজস্থানের কংগ্রেস সরকারের। গড় বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত ময়দানে নামতে হয়েছিল রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে। সচিন পাইলটের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে রাজস্থানের মন্ত্রিসভায় ফিরে আসেন সচিন পাইলট। কিন্তু বিরোধের আগুন ধিকধিক জ্বলছিল। সেই আগুনকে প্রশমিত করতেই কংগ্রেস হাইকমান্ড মন্ত্রিসভা ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নেয়। একই দলে দলের নেতাদের বার্তা দেওয়া হয়েছে যে তাঁরা এক হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য।
পাঞ্জাব কংগ্রেেসর ধাঁচেই রাজস্থানকে সাজাতে চাইছে হাইকমান্ড। কারণ হতে পারে ফের রাহুল গান্ধীকেই সভাপতি করা হবে। কারণ সোনিয়া গান্ধীর সময়সীমা শেষ হয়ে এসেছে। রাহুল গান্ধীকে এই নিয়ে বার্তাও দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রবল আপত্তি জানাননি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ নেতা সচিন পাইলট। তাই রাজস্থানে যে সচিন পাইলটের গুরুত্ব এর পর থেকে বাড়বে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। পাঞ্জাবেও সিধু রাহুল ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ভোটের আগে পাঞ্জাব কংগ্রেসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিধুকে। এই নিয়ে প্রবল বিরোধিতার জেের পদত্যাহ করেন অমরিন্দর সিং। ভোটের আগেই নতুন করে মন্ত্রিসভা সাজানো হয় পাঞ্জাবে। রাজস্থানে সেটা আগেই করে দেখাল হাইকমান্ড।












Click it and Unblock the Notifications