নয়াদিল্লি, হাওড়ার মতো ১৫ টি শহরের রেলস্টেশনে মিলবে আবাসনের সুবিধা
দেশের ১৫ টি শহরের বেশ কয়েকটি রেলস্টশনে আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়া যাবে। স্টেশনগুলির মধ্যে রয়েছে নয়াদিল্লি, থানে, হাওড়ার মতো স্টেশন।
দেশের ১৫ টি শহরের বেশ কয়েকটি রেলস্টশনে আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়া যাবে। স্টেশনগুলির মধ্যে রয়েছে নয়াদিল্লি, থানে, হাওড়ার মতো স্টেশন।

স্টেশনগুলির উন্নতির জন্য পীযূষ গোয়ালের নেতৃত্বাধীন রেলমন্ত্রক নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সেই পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে, রেল কর্তৃপক্ষ কুড়ি শতাংশ জায়গা আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট করার জন্য নির্ধারিত করেছে। বাকি আশি শতাংশ জায়গা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে। এরজন্য ডেভেলপারদের ইন্ডিয়ান রেলওয়ে স্টেশনস ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের সঙ্গে কাজ করতে হবে। স্টেশন সংলগ্ন জায়গায়, প্রাইম লোকেশনে এই আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হবে ডেভেলপারদের।
সূত্রের খবর, এই কাজের জন্য ৪৫ বছরের বদলে ৯৯ বছরের জন্য রেলের জমি লিজ দেওয়া হবে। রেলবোর্ড এই প্রস্তাবে অনুমোদনও দিয়েছে। এক্ষেত্রে সাব-লিজ দেওয়ার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। রেলকর্তাদের আশা এর ফলে প্রায় একলক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে। রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল আগেকার 'সুইস চ্যালেঞ্জ' পদ্ধতি বাদ দেওয়ার পর এই নতুন প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে।
ভাল জায়গায় অবস্থানের কারণে ভারতের সবকটি রেল স্টেশনেই বাণিজ্যিক উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে। কী ভাবে তাকে আবাসন প্রকল্পে ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে, তারই চিন্তা ভাবনা করা দরকার বলে জানিয়েছেন নির্মাণ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত এক পদস্থ কর্তা। সিআরই ম্যাট্রিক্স-এর প্রতিষ্টাতা অভিষেক কিরণ গুপ্তা জানিয়েছেন, রেলস্টেশনগুলিতে বাণিজ্যিক উন্নয়ন করা যেতে পারে কিন্তু আবাসন শিল্পের সঙ্গে তা কোনও ভাবেই মিলবে না। কারণ, ভিড়, আওয়াজ এবং রেলের অন্য পারিপার্শ্বিক কারণে আবাসন শিল্পের জন্য রেলের জমি উপযুক্ত নয় বলেই মনে করছেন তিনি।
যদিও ভিন্ন মত পোষণ করেছেন ইন্ডিয়ান রেলওয়ে স্টেশনস ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের এমডি তথা সিইও এসকে লোহিয়া। আবাসনের মাধ্যমেই রেল প্রচুর টাকা উপার্জন করতে পারবে বলে মনে করছেন তিনি। প্রাথমিক ভাবে ১৫ টি স্টেশনের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রথমে ইরকনের সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করলেও, পরবর্তী পর্যায়ে ইরকন এবং রেলওয়ে ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সঙ্গে কাজ করছে এই ইন্ডিয়ান রেলওয়ে স্টেশনস ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন।
স্টেশনগুলির উন্নয়ন নিয়ে রেলমন্ত্রী ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন টাটা গ্রুপ, সাপুরজি পালনজি, জিএমআৎ, এসেল গ্রুপ এবং এল অ্যান্ড টি-র সঙ্গে। ২০ সেপ্টেম্বর এবং ৫ অক্টোবর বৈঠকও হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications