প্রতিদিন হাঁটছেন ১২ ঘণ্টা, ভারত জোড়ো যাত্রায় এবার দৌড়তে শুরু করলেন রাহুল
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে মহাসংগ্রামের আগে রাহুল গান্ধী ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছেন। প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা করে হাঁটছেন। লক্ষ্য কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত পদযাত্রায় ভারতকে এক সূত্র বাঁধা।
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে মহাসংগ্রামের আগে রাহুল গান্ধী ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছেন। প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা করে হাঁটছেন। লক্ষ্য কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত পদযাত্রায় ভারতকে এক সূত্র বাঁধা। ভারতবাসীর জন্য নতুন স্বপ্নের দুয়ার খুলে দেওয়া। তাই আগামীর লক্ষ্যে এবার পদযাত্রায় নেমে দৌড়তে শুরু করেছেন।

পথের ক্লান্তি ভুলে তিনি হেঁটে চলেছেন বিভিন্ন রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে। তামিলনাড়ু থেকে শুরু করেছিলেন যাত্রা। সেই ভারতজোড়ো যাত্রায় কেরল পেরিয়ে এসে পৌঁছেছে কর্নাটকে। কর্নাটককে এই যাত্রায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ সামনেই কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে কর্নাটকে তিনি জনসংযোগে ঝড় তুলতে উদ্যোগী।
কর্নাটকের ভারতজোড়ো যাত্রায় রাহুলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। এবার রাহুলের পাশে তাল মিলিয়ে হাঁটলেন কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। রাহুলের সঙ্গে হাঁটলেন। আবার রাহুল তাঁর হাত ধরে ছুটলেনও। সামনেই নির্বাচন। তার আগে অঙ্ক কষেই সিদ্ধারামাইয়াকে সামনেু সারিতে এনে হাত ধরে দৌড়লেন রাহুল।
যদিও রাহুলের এই দৌড় নিয়ে প্রশ্ন উঠে পড়েছে, তিনি কি ভারত জোড়োর যাত্রায় সাফল্যের রেখা দেখে ভুলে গেলেন সিদ্ধারামাইয়ার বয়স এখন ৭৫। তিনি প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা হেঁটেও ফিট থাকতে পারেন। ৫২ বছর বয়সে দৌড়তে পারেন। কিন্তু সিদ্ধারামাইয়া কি পারবেন ৭৫-এও রাহুলের মতো তরতাজা থাকতে?
मिलेंगे हाथ तो दौड़ेंगे कदम,
— Bharat Jodo (@bharatjodo) October 6, 2022
कदम कदम जुड़े वतन!#BharatJodoYatra pic.twitter.com/pRd5qeDQly
অনেকে মজা করে বলতে শুরু করেছেন, রাহুল গান্ধী যেভাবে দৌড় করাচ্ছেন তাতে ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দেওয়ার আগে দৌড়নোর প্রস্তুতি নিয়ে যেতে হবে। ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী এই কথা বলার পর তা অবশ্য হালকাভাবে সবাই নেননি। উল্লেখ্য, সিদ্ধারামাইয়া প্রথমে হাসিমুখে দৌড় শুরু করেছিলেন। সিদ্ধারামাইয়া হাঁফিয়ে যেতেই রাহুল দৌড় বন্ধ করে দেন।
৭ সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ু থেকে কংগ্রেসের ভারত জোড় যাত্রা শুরু হয়েছিল। মাঝে দিন দুয়েকের বিরতি ছিল। তারপর প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা করে হাঁটছেন রাহুল গান্ধী ও তাঁর সঙ্গী কংগ্রেসকর্মীরা। সকাল সাতটায় যাত্রা শুরু হচ্ছে। দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি, তারপর সন্ধ্যা সাতটায় যাত্রা শেষ হচ্ছে।
সোনিয়া গান্ধী পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন বৃহস্পতিবার। তারপর প্রিয়াঙ্কা গান্ধী অংশ নেন শুক্রবার। কর্নাটকের পদযাত্রায় এরপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া রাহুলের সঙ্গে পা মেলান। রাহুল হাঁটার পর এদিন দৌড়ে বুঝিয়ে দেন তিনি ফিট। তিনি বিরাট লক্ষ্য দৌড় শুরু করে দিয়েছেন। তাঁকে আরও বহুদূর যেতে হবে এই লড়াইয়ে।












Click it and Unblock the Notifications