লাদাখের গালওয়ান এলাকা চিনের দখলে! এই দাবি তুলে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ফের তোপ রাহুল গান্ধীর
লাদাখ সীমান্তে চিনা সেনার বাড়বাড়ান্ত নিয়ে প্রথম থেকেই কেন্দ্রকে কোণঠাসা করার পন্থা নিয়েছেন রাহুল গান্ধী। অমিত শাহ, রাজনাথ সিংয়ের বিরুদ্ধে চিন পরিস্থিতি নিয়ে পরপর তোপ দেগেছেন রাহুল। এই পরিস্থিতি সোমবার ভারত, চিন উভয় পক্ষই লাদাখ সীমান্তের গালওয়ান থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে বলে খবর আসে। তবে এদিন সকালে ফের লাদাখ সীমান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে তোপ দাগেন কংগ্রেস নেতা।

লাদাখের গালওয়ান এলাকা চিনের দখলে রয়েছে
এদিন সকালে কটি টুইট করে রাহুল দাবি করেন যে লাদাখের গালওয়ান এলাকা চিনের দখলে রয়েছে। এই সংক্রান্ত একটি নিউজ পোর্টালের আর্টিকেলও অ্যাটাচ করেন নিজের বক্তব্যের সঙ্গে। সেখানে দাবি করা হয়েছে যে গালওয়ান এলাকা চিনের দখলে। এবং শনিবার হওয়া শান্তি আলোচনায় নাকি চিন সেটাকে অনুপ্রবেশ বলে মানতেই রাজি হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে তোপ রাহুলের
এদিন রাহুল গান্ধী নিজের টুইটবার্তায় লেখেন, 'চিন আমাদের গালওয়ান উপত্যকা দখল করে বসে আছে। তবে প্রধানমন্ত্রী এখনও চুপ রয়েছেন। তিনি এই বিষয়ে কিছুই বলছেন না।' প্রসঙ্গত এর আগেও টুইঠ করে কেন্দ্রের প্রতি রাহুল প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে জানতে চেয়েছিলেন যে চিন ভারতের ভূখণ্ড দখল করে রেখেছে কি না।

গালওয়ান উপত্যকা ও প্যাংগংয়ের একাংশের উপর অধিকার দাবি চিনের
প্রতিবেদনটি অনুযায়ী, চিন বর্তমানে পুরো গালওয়ান উপত্যকা ও প্যাংগংয়ের একাংশের উপর নিজেদের অধিকার দাবি করছে। তবে সোমবারই গালওয়ান এলাকা থেকে প্রায় ২.৫ কিমি পিছু হটল চিনের পিপল লিবারেশন আর্মির সেনা দল। ভারতও তাদের সেনাকে সরিয়ে নিয়েছে। জানা গেছে, গালওয়ানের পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪, পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৫, হট স্প্রিং এলাকা সহ আরও কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের সেনার তরফে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চিনের মধ্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতি
বিগত একমাস ধরে চলছে লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চিনের মধ্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতি। এই আবহে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এদিন দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্তরের বৈঠক। প্রথমে আটটায় সেই বৈঠক শুরু হওযার কথা থাকলেও পরে গিয়ে তা শুরু হয় দুপুর দুটোয়।

৬ জুন দুই দেশের সেনা পর্যায়ে আলোচনা হয়
৬ জুন পূর্ব লাদাখের কাছে দুই দেশের সেনা পর্যায়ে আলোচনা হয়। সেই সূত্র ধরেই এই পদক্ষেপ বলে, মনে করা হচ্ছে। ভারত-চিন সীমান্তের চুশুল-মোলদোতে সেদিনের পাঁচ ঘণ্টার বৈঠক শেষে ভারতীয় সেনার তরফে জানানো হয়েছিল, সীমান্ত সমস্যা সমাধানে দুই দেশই সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে পারস্পরিক যোগাযোগ সাধন করেছে।

আলোচনার মাধ্য়মে সমস্যাগুলির সমাধান
দুই দেশই চাইছে যাতে আলোচনার মাধ্য়মে সমস্যাগুলির সমাধান করা যায়। এখনও আলোচনা চলছে। ভারতের হয়ে বৈঠকে ১৪ কর্পসের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনেরাল হরিন্দর সিং প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ৷ অন্যদিকে, চিনের হয়ে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিব্বত মিলিটারি ডিস্ট্রিক্টের কমান্ডার৷ আজ সেই মর্মে ফের একবার বৈঠকে বসতে চলেছে দুই দেশ।












Click it and Unblock the Notifications