লাদাখ সীমান্ত নিয়ে চিনের সঙ্গে বৈঠকের একদিন আগে ফের কেন্দ্রকে খোঁচা রাহুলের!
ভারত-চিন সীমান্তে সামরিক তৎপরতা নিয়ে ফের কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করলেন রাহুল গান্ধী। টুইটারের এদিন ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা নিয়ে একটি প্রতিবেদন শেয়ার রাহুল লেখেন, আমরা অবিশ্বাসের দুনিয়ায় থাকতে পারি না। প্রসঙ্গত, এর আগেও দুই বার কেন্দ্রকে লাদাখ সীমান্ত নিয়ে খোঁচা দিয়ে তোপ দেগেছিলেন রাহুল।

কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে রাহুলের প্রশ্ন
দুই দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি লেখেন, 'কেন্দ্রীয় সরকার কি এটা নিশ্চিত করতে পারে যে, কোনও চিনা সৈনিক ভারতে প্রবেশ করেনি।' পাশাপাশি সেবারও তিনি একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন জুড়ে দিয়েছিলেন টুইটে।

পূর্ব লাদাখে সামরিক উত্থান
টুইটের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব লাদাখে সামরিক উত্থান নিয়ে ৬ জুন ভারত ও চিনের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সামরিক বৈঠক হতে পারে। রাহুল গান্ধী আরও বলেন, 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং স্বীকার করেছেন যে, ভারত-চিন সীমান্তে বহু সংখ্যক চিনা সৈনিক উপস্থিত হয়েছে।'

২৯ মে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল
এর আগে ২৯ মে টুইটে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল। তিনি বলেছিলেন, 'ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রের চুপ করে থাকা জল্পনা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং কঠিন পরিস্থিতিতে মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। বিষয়টি নিয়ে দেশবাসীর কাছে কেন্দ্রের স্পষ্ট করে বলা উচিত।'

ভারত-চিন সীমান্তের পরিস্থিতি সম্পর্ক
এছাড়া একটি ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে চতুর্থ বৈঠকে ভারত-চিন সীমান্তের পরিস্থিতি সম্পর্কে কেন্দ্রকে স্পষ্ট করতে অনুরোধ করেছিলেন রাহুল। তিনি বলেন, 'নেপালের সঙ্গে কী হয়েছে এবং কী ঘটছে তা কেন্দ্রের স্পষ্ট করা উচিত। লাদাখ এবং চিন নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে তাতে আমি স্বচ্ছতা দেখতে পাচ্ছি না।'

চিনের সঙ্গে বৈঠকের জন্য প্রস্তুত ভারত
এদিকে লাদাখ সীমান্ত নিয়ে চিনের সঙ্গে বৈঠকের জন্য প্রস্তুত ভারত। আর এই শান্তি প্রক্রিয়া ও আলোচনার দায়িত্ব গিয়ে পড়েছে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরিন্দর সিংয়ের উপর। লাদাখের লেহ-তে ঘাঁটি গেড়ে থাকা ১৪ নম্বর কোর গ্রুপের কমান্ডর লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরিন্দর সিং।

ভারতে অনুপ্রবেশেরও চেষ্টা করে চিন
লাদাখ সীমান্তে বিগত প্রায় একমাস ধরে ভারত-চিন সেনার মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে পরিস্থিতি। এরই মাঝে ভারতে অনুপ্রবেশেরও চেষ্টা করে চিন। চিনের এই আগ্রাসন রুখতে ৬ জুন দুই দেশের মধ্যে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যায়ে বৈঠক হবে বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এদিকে চিনের প্ররোচণা সত্ত্বেও পিছু হটতে নারাজ ভারতও। কাশ্মীর থেকে ব্যাপক সংখ্যায় সেনা লাদাখ সীমান্তে পাঠানো হয়েছে। তবুও এই বিবাদ শান্তিপূর্ণ ভাবে মেটানোর পক্ষেই ভারত।












Click it and Unblock the Notifications