Parliament Security Breach: সংসদে হামলার নেপথ্যে নরেন্দ্র মোদীর নীতি! কোন দিকে ইঙ্গিত রাহুল গান্ধীর?
Parliament Security Breach: সংসদের অধিবেশন কক্ষে স্প্রে অ্যাটাকে যুক্ত ষষ্ঠ অভিযুক্তও দিল্লি পুলিশের জালে। সংসদে কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটল তার কারণ অনুসন্ধানের প্রক্রিয়া চলছে।
এই আবহে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদী সরকারের নীতির দিকেই। করলেন চাঞ্চল্যকর দাবি।

ইতিমধ্যেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সংসদে হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতি দাবি করেছে। সংসদে এভাবে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিভিন্ন দলের সাংসদরা। দুই কক্ষের অধিবেশনেই এই ঘটনা নিয়ে ঝড়় উঠছে। সংসদে হামলার ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোরও।
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। খাড়গের কথায়, অমিত শাহ মিডিয়ার সামনে কথা বললেও সংসদে বিবৃতি দিতে অনিচ্ছুক। সংসদের ঘটনা নিয়ে বিরোধীরা রাজনীতি করছে বলে শাহ যে বক্তব্য রেখেছেন তার পাল্টা হিসেবে খাড়গে বলেন, অমিত শাহ কংগ্রেসের নাম নিয়ে এবং নেহরুজি, গান্ধীজির সমালোচনা করেই তো ভোট চান।
কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী আজ দিল্লিতে বৈঠক করেন কংগ্রেসের গুজরাটের নেতাদের সঙ্গে। তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, সংসদে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে। কিন্তু কেন এমনটা হলো? এই মুহূর্তে দেশে সবচেয়ে বড় ইস্যু হলো বেকারত্ব। মোদীজির নীতির জন্যই গোটা দেশের যুবসম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের বন্দোবস্ত হচ্ছে না।
বেকারত্বের পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিও সংসদে হামলার অন্যতম কারণ বলে অভিহিত করেছেন রাহুল। উল্লেখ্য, সংসদে ২০০১ সালে হামলার ২২ বছর পূর্তির দিনই লোকসভার অধিবেশন চলাকালীন সাগর শর্মা ও মনোরঞ্জন ডি ভিজিটরস গ্যালারি থেকে লাফ দেন। জুতোর ভিতর থাকা ক্যান বের করে রঙিন ধোঁয়া ছড়াতে থাকেন।
সেই সময়ই সংসদের বাইরে তানাশাহী নেহি চলেগি স্লোগান দিয়ে অমল শিন্ডে ও নীলম দেবীও একইভাবে রঙিন ধোঁয়া ছড়াতে থাকেন। ললিত ঝা সেই ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন। পাঁচজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। মহেশ কুমাওয়াতকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications