বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ করতে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ! নীতীশ-তেজস্বীর সঙ্গে বৈঠকের পর আর কী বললেন রাহুল গান্ধী
কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই করতে দিল্লিতে বৈঠক করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের উপস্থিতিতে হওয়া বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন জনতা দল ইউনাইটেড এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের শীর্ষ নেতারা।
বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ নেতা নীতীশ কুমার, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী ও আরজেডি চেয়ারপার্সন তেজস্বী যাদব। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেডিইউ সভাপতি রাজীব রঞ্জন সিং, আরজেডি সাংসদ মনোজ কুমার ঝা।

বৈঠকের পরে সংবাদ মাধ্যমকে খাড়গে বলেন এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক বৈঠক। আসন্ন নির্বাচনে সব বিরোধী দলকে একত্রিত করতে এই বৈঠক ছিল গুরুত্ব পূর্ণ। অন্যদিকে রাহুল গান্ধী বলেছেন, বিরোধী দলগুলিকে একত্রিত করতে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলে্ন এটি একটি প্রক্রিয়া, এটি দেশের প্রতি বিরোধীদের দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে টুইটারে বলেছেন বিরোধী নেতারা জনগণের আওয়াজ তুলতে এবং দেশকে নতুন নিক নির্দেশ করতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সবাই সংবিধান রক্ষা করা এবং দেশকে বাঁচানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহে এই ধরনের আরও বৈঠক হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।

এদিন বৈঠকটি হয় মল্লিকার্জুন খাড়গের বাড়িতে। খাড়গে ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন এবং মহারাষ্ট্রের উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে জোট নিয়ে কথা বলেছেন। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন। তিনি আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে আরও বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতার সঙ্গে দেখা করতে পারেন বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
২০২৪-এর সাধারণ নির্বাচনের এক বছরও বাকি নেই। সেই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলি নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু দল নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলেও, অন্য দলগুলি এখনও পর্যন্ত তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি।

পশ্চিমবঙ্গের শাসক তৃণমূল সাগরদিঘির উপনির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর বলেছিলেন, লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল একাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, বাম-কংগ্রেস-বিজেপির বোঝাপড়ার ফলে তৃণমূলের হার হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
যদিও পরবর্তী সময়ে রাহুল গান্ধীর মোদী পদবি নিয়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং সাংসদ পদ হারানোর পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলগুলি একসঙ্গে হয়ে বিজেপিকে সরানোর আহ্বান করেন। অন্যদিকে আম আদমি পার্টি বিজেপি বিরোধিতা করলেও এখন নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি। তেলেঙ্গানার বিআরএস বিরোধীদের সঙ্গে থাকার কথা বলার পরেও কংগ্রেসের বিরোধিতা করেছে।












Click it and Unblock the Notifications