কোন অঙ্কে যুদ্ধ জয় স্পষ্ট হল ওয়ার্কিং কমিটিতে, মোদী বিরোধী জোটের মুখ রাহুলই
কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট গড়লেও বিজেপিকে হারানো যাবে না। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তা জানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোদী বিরোধী জোটের মুখ সকলেই।
কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে জোট গড়লেও বিজেপিকে হারানো যাবে না। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তা জানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোদী বিরোধী জোটের মুখ সকলেই। কেননা একমাত্র কংগ্রেসেরই প্রতিটি রাজ্যে জনভিত্তি রয়েছে। এই মুহূর্তে কংগ্রেস ও বিজেপিই দেশে প্রধান প্রতিপক্ষ। তাই কংগ্রেসকে নিয়েই জোট গড়তে হবে।

এদিন ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, দেশে বিজেপি বিরোধী জোটের প্রধান মুখ হবে কংগ্রেসই। কংগ্রেসও চায় জোট গড়ে দেশের নরেন্দ্র মোদী শাসনের অবসান ঘটাতে। কেননা পর্যালোচনায় স্পষ্ট, দেশে ১২ রাজ্যে ১৫০টি আসনে একা লড়ে জিততে পারে কংগ্রেস। বাকি আসনগুলিতে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই চালিয়ে বিজেপির কাছে থেকে ছিনিয়ে নিতে হবে।
আর তা করতে গেলে জোট গড়া আবশ্যক। কেননা ১৫০ আসনে কংগ্রেস এককভাবে শক্তিশালী হলেও, বাকি প্রায় ৩০০ আসনে ভোট ভাগাভাগিতে কংগ্রেসের হার অনিবার্য। এই অবস্থায় ভোট ভাগাভাগী হলে বিপদ। কংগ্রেসের লক্ষ্য এই ৩০০ আসন থেকে অন্তত ১৫০ আসন দখল করা। আর তা সম্ভব জোটের পক্ষে। কংগ্রেসের বৈঠকে সেই নয়া ফর্মুলা নেওয়া হয়েছে।
মোট কথা ১৫০ আসন নিয়ে কংগ্রেস চিন্তিত নয়, বাকি ১৫০ আসন সহযোগী দলগুলির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে বিজেপির কাছে থেকে ছিনিয়ে নিতে হবে। তাহলেই লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছোঁয়া যাবে। এবং ৩০০ গণ্ডিও পেরিয়ে যাওয়া যাবে। এদিন বৈঠকের পর সেই সমীকরণ মেনেই এগোতে চাইছে কংগ্রেস। এবং এখন থেকেই রাজ্যওয়াড়ি জোট-আলোচনায় আরও জোর দিতে চাইছেন রাহুল-সোনিয়ারা।
কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নেয়, রাহুল গান্ধীকে মুখ করেই তারা ২০১৯-এ লড়বে। সেই কারণে যত বেশি সম্ভব সহযোগী দলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। রাজ্যের আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট করে ১৫০টি আসনকে বাড়িয়ে নিয়ে যেতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে। সঠিকভাবে জোট গড়া হলে ৩০০ ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। একের বিরুদ্ধে এক হলে বিজেপির পক্ষে লড়াইয়ে ফেরা সম্ভব হবে না। কংগ্রেস-জোটের অর্থাৎ বৃহত্তর ইউপিএ-র জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা থাকবে।












Click it and Unblock the Notifications