Lok Sabha Election: ভোটের প্রচারে বড় ঘোষণা রাহুল গান্ধীর, ক্ষমতায় এলে সংরক্ষণের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দেওয়ার আশ্বাস
লোকসভা ভোটের প্রচারে সংরক্ষণ হাতিয়ার দুই দলেরই। কংগ্রেস হোক বা বিজেপি উভয় দলই সংরক্ষণ ইস্যুতে প্রতিদিনই একে অপরের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ভোটের আগে নির্বাচনী সংরক্ষণ ইস্যুতে মোদী সরকারকে তোপ দাগার পাশাপাশি বড় ঘোষণাও করেছেন। কংগ্রেস লোকসভা ভোটের প্রচারে সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষের পক্ষে জোরালো স্লোগান তুলছে।
এবার সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষদের মন পেতে সংরক্ষণের উর্ধ্বসীমা তুলে দেওয়ার আশ্বাস দিলেন রাহুল গান্ধী দলিত, পিছিয়ে পড়া জনজাতি ও আদিবাসীরা যাতে সংরক্ষণের সুবিধা পান সেই লক্ষ্যে এই সুবিধা যতদূর বাড়ানো যায় বাড়ানো হবে, নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এমনটাই ঘোষণা করলেন রাহুল গান্ধী।

মোদী সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করে রাহুল গান্ধী বলেন, কংগ্রেস ও ইন্ডিয়া জোটের লক্ষ্য সংবিধানকে রক্ষা করা। এই সংবিধান আপনাদের জল, জঙ্গল ও জমির অধিকার দিয়েছে। নরেন্দ্র মোদী চান সেই অধিকার তুলে দিয়ে সব ক্ষমতা নিজের হাতে নিতে।"
মধ্যপ্রদেশের রতলামে একটি জনসভায় রাহুল বিজেপির ৪০০-পার স্লোগান নিয়েও কটাক্ষ করেছেন।
একইসঙ্গে বিজেপি শিবিরকে কটাক্ষ করে রাহুল গান্ধী বলেন, ''বিজেপি নেতারা বলছেন, তাঁরা জিতলে দেশের সংবিধানকে বদল করবেন। এজন্য ৪০০ আসনের জন্য স্লোগান দিচ্ছেন তাঁরা। তবে ৪০০ কেন, বিজেপি ১৫০টা আসনও পাবে না।''
একইসঙ্গে কংগ্রেস সাংসদ বলেন, 'আমরা ক্ষমতায় এসেই জাতিগত জনগণনা করব। এটা গরিব, দলিত এবং পিছিয়ে পড়াদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটা দেশের রাজনীতি বদলে দেবে। ৯০ শতাংশ দরিদ্র মানুষ তাদের পরিসংখ্যান জানতে পারবেন।'
কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে সার্ভে করার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন রাহুল গান্ধী। আদিবাসী, পিছিয়ে পড়া এবং ওবিসিদের কাছে কত সম্পত্তি রয়েছে তা দেখা হবে। এরপরই দেশে নয়া রাজনীতির সূচনা হবে।
রাহুল গান্ধীর কথায়, 'দেশের জনসংখ্যার নব্বই শতাংশ এসসি, এসটি এবং ওবিসি নিয়ে গঠিত, তবে আপনি কর্পোরেট, মিডিয়া (সেক্টর), বেসরকারী হাসপাতাল, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারী আমলা হিসাবে তাদের প্রতিনিধিত্ব পাবেন না। আমরা ভোটের পক্ষ ক্ষমতায় এলে প্রথমে একটি সমীক্ষা চালাব।'












Click it and Unblock the Notifications