রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজের পর প্রথম প্রতিক্রিয়া, কী বললেন কংগ্রেস নেতা
মোদী পদবি নিয়ে মন্তব্য করায় রাহুল গান্ধী সুরাতের আদালতে দু-বছরের কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন। তারপর লোকসভার সচিবালয় তাঁর সাংসদ পদ খারিজের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তারপর রাহুল গান্ধী প্রথম মুখ খুললেন। তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিলেন কংগ্রেস নেতা।

রাহুল গান্ধীর প্রথম প্রতিক্রিয়া
রাহুল গান্ধী প্রথম প্রতিক্রিয়া বলেন, ভারতের জন্য লড়াই চলবে। দেশের জন্য লড়তে যেকোনও মূল্য দিতে তিনি তৈরি। উল্লেখ্য, প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে ২০১৯ সালের মানহানির মামলায় দোষীসাব্যস্ত করে তাঁরা ভোটে লড়ার অধিকার ছিনিয়ে নিতে চাইছে বিজেপি। সে জন্য তাঁর সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

হিন্দিতে টুইট করেন রাহুল
সাসংদ হিসেবে লোকসভা থেকে খারিজ হওয়ার পর রাহুল গান্ধী তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দেশের হয়ে লড়তে তিনি যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত। আমি ভারতের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠার জন্য লড়াই করছি। সেই লড়াই চলবে। এদিন হিন্দিতে টুইট করে এই বার্তা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী।

রাহুল গান্ধীকে আটকাতে...
এদিন লোকসভার সচিবালয় কেরালার ওয়ানাডের সংসদ ক্ষেত্রকে সাংসদ শূন্য ঘোষণা করেছে। নির্বাচন কমিশন এখন আসনটির জন্য বিশেষ নির্বাচনের ঘোষণা করেছে। দিল্লিতে সরকারি বাংলো খালি করার জন্য রাহুল গান্ধীকে এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে। মোট কথা রাহুল গান্ধীকে আটকাতে ভিন্ন পন্থা নিয়েছে বিজেপি।

কঠিন প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছেন রাহুল, তাই...
বিজেপি সরকারের এই পদক্ষেপের পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ। রাহুল গান্ধী কঠিন প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছেন বলে তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি এই পদক্ষেপটিকে বৈধ বলে অভিহিত করেছে। আদালতের রায়ের উপর ভিত্তি করেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে লোকসভার বিজ্ঞপ্তিতে।

রাহুল প্রসঙ্গে বিজেপির দাবি
বিজেপি দাবি করেছে, রাহুল গান্ধী তাঁর মন্তব্যে সমগ্র অনগ্রসর শ্রেণির মানুষকে অপমান করেছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে আদালত। আদালতের নেওয়া সেই পদক্ষেপের ভিত্তিতে লোকসভা তাঁর সাংসদ পদ খারিজ করে দিয়েছে। রাহুল গান্ধী ২০১৯-এর এক নির্বাচনী জনসভায় বলেছিলেন, কীভাবে সব চোরদের পদবি হয় মোদী? এরপর গুজরাতের মন্ত্রী মানহানির মামলা করেন।

রাহুল গান্ধীর পাশে দাঁড়ান মমতাও
এদিন রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই গর্জে ওঠেন বিরোধীরা। এই সাংসদ পদ খরিজের ঘটনাকে ভারতের গণতন্ত্রে কালো দিন বলে অভিহিত করেন বিরোধীরা। বিরোধীরা সবাই সরব হন মোদী সরকারের বিরুদ্ধে। রাহুল গান্ধীর পাশে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

দেশজুড়ে আন্দোলনে কংগ্রেস, বিরোধীরাও
তিনি বলেন, এটাই নরেন্দ্র মোদীর নতুন ভারত। বিরোধী মুখ খুললেই এভাবে কণ্ঠরোধ করা হয়। সরব হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল থেকে শুরু করে উদ্ধব ঠাকরে-সহ বিজেপি বিরোধী প্রায় সমস্ত নেতৃত্ব। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে থেকে শুরু করে শশী থারুর, অভিষেক মনু সিংভি-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কংগ্রেস নেতারা আন্দোলনে নামেন।
ছবি সৌ:পিটিআই












Click it and Unblock the Notifications