লাদাখ সীমান্তে বরফ গলার ইঙ্গিতেও গালওয়ান ইস্যুতে খোঁচা জারি রাখলেন রাহুল
লাদাখ সীমান্তে বরফ গলার ইঙ্গিতেও গালওয়ান ইস্যুতে খোঁচা জারি রাখলেন রাহুল
মূল সংঘর্ষের পর প্রায় ৬০ দিন পর গালওয়ান উপত্যকা থেকে ধীরে ধীরে সেনা সরাচ্ছে চিন। সেনা সরানো হচ্ছে ভারতের তরফেও। এমতাবস্থায় কেন্দ্রকে বিঁধে আবারও একাধিক প্রশ্ন করতে দেখা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে। এদিন এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে রাহুল বলেন, যখন জাতীয় স্বার্থ 'সর্বজনীন’ হয় তখন সরকারের উচিত যেকোনো মূল্য তা রক্ষা করা। কিন্তু এর আগে কেন গালওয়ানে স্থিতাবস্থার ফেরানোর উপর জোর দেওয়া হয়নি?”

লাদাখ ইস্যুতে মোদীকে ‘মিথ্যেবাদী’ আখ্যা কংগ্রেসের
এর আগে গালওয়ানের সেনা সংঘর্ষ নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে ভারতীয় ভূখণ্ডে চিন প্রবেশ করেনি বলে মন্তব্য করতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। তারপরেই এই ইস্যুতে একের পর এক খোঁচা দিয়ে গেছে দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। মোদীকে ‘মিথ্যেবাদীও' বলতে দেখা যায় একাধিক কংগ্রেস নেতাকে। এদিন গালওয়ানের সার্বভৌমত্বের কথা উল্লেখ করে টুইটারে প্রশ্নবাণ ছোঁড়েন রাহুল।

গালওয়ানের স্থিতাবস্থা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে খোঁচা রাহুলের
কেন্দ্রের কাছে তাঁর সরাসরি প্রশ্ন, " আমাদের ভূখণ্ডে ঢুকেই ২০ জন নিরস্ত্র সেনাকে হত্যা করল চিন। কিন্তু ভারতীয় সেনা হত্যাকে ‘ন্যায্য' বলে দাবি করার অধিকার কে দিল চিনকে ? " পাশাপাশি রাহুলের আরও প্রশ্ন, ‘কেন এখনও গালওয়ান উপত্যকার আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের কোনও উল্লেখ নেই?' । এদিকে এর আগেও লাদাখ ইস্যুতে চিনকে যথাযোগ্য জবাব না দেওয়ায় বিজেপি নেতৃত্বের সমালোচনায় মুখর কয়েছে কংগ্রেস।

প্রায় ৬০ দিন পর বরফ গলছে গালওয়ানে
এদিকে ১৫ই জুনের সংঘর্ষের পর ভারতীয় সেনার উস্কানিমূলক আচরণের দিকে একাধিকবার আঙুল তুলতে দেখা যায় বেজিংকে। কিন্তু ভারতীয় সেনার যুক্তি ছিল সেই সময় সেনা কমান্ডারদের মধ্যে হওয়া শান্তি চুক্তি লঙ্ঘন করেই প্রথম ভারতীয় সেনা জওয়ানদের উর ঝাঁপিয়ে পরে চিন। এমতাবস্থায় বর্তমানে খানিক হলেও বরফ গলতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর প্রায় ৬০ দিন পর গালওয়ান থেকে ধীরে ধীরে সেনা সরাতে শুরু করেছে চিন।

কমান্ডার স্তরের বৈঠকের পরেই শুরু হয়েছে সেনার ‘ডিসএনগেজমেন্ট’ প্রক্রিয়া
সূত্রের খবর, গালওয়ানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরে গত ২২ এবং ৩০ জুন দুই সেনার কোর কমান্ডার স্তরের বৈঠকের ফলশ্রুতিতেই দুই দেশের সেনার ‘ডিসএনগেজমেন্ট' প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে । বর্তমানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি)-র অন্দরে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থিত সংঘর্ষ স্থল থেকে চিনা সেনা প্রায় দু'কিলোমিটারের বেশি পিছনে সরেছে বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications