'যতক্ষণ না কাঁপুনি ধরছে ততক্ষণ সোয়েটার পরব না', কেন এই সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যা করলেন রাহুল গান্ধী
'যতক্ষণ না কাঁপুনি ধরছে ততক্ষণ সোয়েটার পরব না', কেন এই সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যা করলেন রাহুল গান্ধী
প্রবল শৈত্য প্রবাহ চলছে রাজধানী দিল্লিতে। তার মধ্যেই পাতলা একটা টি শার্ট গায়ে দিয়ে রাস্তায় হাঁটতে দেখা দিয়েছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে। এই নিয়ো তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়ায়। কীভাবে এই কনকনে ঠান্ডার মধ্যেও সোয়েটার না পরে রয়েছেন রাহুল গান্ধী। প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি নেতারাও। মঙ্গলবার তার কারণ ব্যাখ্যা করলেন রাহুল গান্ধী নিজেই।

দিল্লির তাপমাত্রা ১ ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছিল। সেই কনকনে ঠান্ডার মধ্যে হালকা একটা িট শার্ট পরে রাজধানী রাস্তায় এবং উত্তর ভারতের একাধিক যাত্রীয় ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নিতে দেখা গিয়েছিল। তাই নিয়ে শুরু হয়ে গিেয়ছিল আলোচনা। কীভাবে এই কনকনে ঠান্ডার মধ্যে হালকা একটা টি-শার্ট পরে ঘুরছেন। এই নিেয় খবর পর্যন্ত হয়ে গিয়েছিল। বিজেপি নেতারাও এই নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছিলেন।
শেষে মঙ্গলবার হরিয়ানায় ভারত জোড়ো যাত্রার সূচনা করে সাংবাদিক বৈঠকে তার আসন কারণ ব্যাখ্যা করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন ভারত জোড়ো যাত্রী শুরু হয়েছিল দক্ষিণ ভারত থেকে। সেখানে গরম ছিল। তারপরে যখন যাত্রা এগোতে শুরু করে উত্তরের দিক তখন ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছিল। কেরলে ঠান্ডা ছিল না সেকারণে সোেয়টার এবং জ্যাকেট কোনও কিছুই পরার প্রয়োজন িছল না। মধ্যভারতে যখন যাত্রা পৌঁছয় তখন ভাল শীত পড়ে গিয়েছিল। তারপরেও কেন তিনি সোেয়টার পরেননি।
তিনি বলেছেন তিনি যখন মধ্য প্রদেশে ভারত জোড়ো যাত্রার জন্য হাঁটছিলেন তখন রাস্তায় দুই বালিকাকে ছেড়া জামা পরে দেখেছিলেন। তাঁদের হাত ধরে যখন তিনি পদযাত্রায় হাঁটতে শুরু করেন তখন টেরপাল বালিকা দুটি ঠান্ডায় কাঁপছিল। কিন্তু তাদের কাছে কোনও গরম পোশাক ছিল না। সেকারণেই তারা ঠান্ডায় কাঁপছিল। তারপরেই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যতক্ষণ না তাঁর শরীরে কাঁপুনি ধরছে ততক্ষণ তিনি সোয়েটার পরবেন না।
অর্থাৎ সেই শিশুদের কষ্ট অনুভূত করতে পেরেই তিনি কনকনে ঠান্ডাতেও গরম পোশাক না পরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
তিনি বলেছেন আমার গরম পোশাক পরার থেকেও জরুরি প্রশ্ন হল এখনও দেশের অসংখ্য গরিব মানুষ, কৃষকর পরিবারের সন্তানকে কেন ছেঁড়া জামা পড়তে হয়। তাঁদের কাছে টি-শার্ট-সোয়েটার কোনও পরারই সুযোগ থাকে না। দেশের কৃষকরা আরও গরিব হয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়ার কারণে চাষীদের ফসল নষ্ট হয়ে গেলেও তারা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে না। হিমাচল প্রদেশ থেকে কাশ্মীর সর্বত্র দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এক দল শিল্পপতি। তাঁদের কাছে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকরা। এবং তাঁরা যে দাম দিচ্ছে সেই দামেই ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications