আদানিকে বিমানবন্দর হস্তান্তর করার জন্য কোনও চাপ ছিল না, রাহুলকে জবাব জিভিকে-র
আমরা তিনজন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। তাঁরা একসঙ্গে এই কোম্পানিতে বিনিয়োগেও রাজি হয়েছিল। কিন্তু...
আদানি গোষ্ঠীকে বিমানবন্দর হস্তান্তর করার জন্য কোনও চাপ দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার রাহুল গান্ধী বিমানবন্দর হস্তান্তর নিয়ে যে অভিযোগ করেছিলেন তার জবাবে জিভিকে-র ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় রেড্ডি এ কথা বলেন। পাল্টা জবাবে জিভিকে-র ভিসি বুঝিয়ে দিয়েছেন মুম্বই বিমানবন্দর বিক্রি নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন।
জিভিকের ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় রেড্ডি বলেন, আদানি গোষ্ঠী বা অন্য কারও কাছ থেকে কোনও চাপ আসেনি। রাহুল গান্ধীর অবিযোগ খারিজ করে তিনি জানান, বিমান পরিচালনায় জিভিকে-র হাত পাকা। তাই তারা মুম্বই বিমানবন্দরকে কাঁচা হাতে দেননি। নিয়ন মেনেই হস্তান্তর করা হয়েছে বিমানবন্দর। বিক্রি করার জন্য কোনও চাপ তাঁর কাছে ছিল না।

আদানি এয়ারপোর্ট হোল্ডিংস লিমিটেড ২০২১ সালের জুলাইয়ে জিভিকে থেকে মুম্বই বন্দরের দখল নেয়। রেড্ডি বলেন, আমরা এক বছর আগে থেকেই তহবিল সংগ্রহে জোর দিয়েছিলাম। কারণ আমাদের বিমানবন্দর হোল্ডিং কোম্পানিতে আমরা প্রায় ১০ বছর আগে ঋণ তুলেছিলান। যখন আমরা বেঙ্গালুরু বিমানবন্দর অদিগ্রহণ করেছিলাম।
তিনি বলেন, আমরা এ জন্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। আমরা তিনজন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। তাঁরা একসঙ্গে এই কোম্পানিতে বিনিয়োগেও রাজি হয়েছিল। তাঁরা আমাদের ঋণের পরিশোধেও সাহায্য করবে। তবে তাদের অনেক শর্ত ছিল।
জিভিকের ভাইস চেয়ারমন্যান আরও বলেন, তারপর কোভিডকালে আমাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনমাস ধরে বিমানবন্দরের ব্যবসা বন্ধ ছিল। আমাদের রাজস্ব আদায় শূন্য হয়ে গিয়েছিল। ফলে আমাদের উপর আর্থিক চাপ ছিল। তাই আমরা দ্রুত লেনদেন সম্পন্ন করার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম।
ঠিক সেই সময়ে গৌতম আদানি আমার কাছে এসেছিলেন। তিনি জানিয়ছিলেন মুম্বই বিমান বন্দর তাঁরা নিতে আগ্রহী। আমরা তাঁর সঙ্গে লেনদেনে ইচ্ছুক কি না তিনি জানতে চান। এক মাসের মধ্যে পুরো লেনদেন শেষ করবেন। তা শোনার পর আমরা খুব উৎসাহী ছিলাম। এবং আমাদের কাছে তা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
সংসদে কংগ্রেস সাসংদ রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন জিভিকে আদানি গোষ্ঠীর কাছে মুম্বই বন্দর বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়েছিল। সঞ্জয় রেড্ডি বলেন, কিন্তু তা সঠিক নয়। আমাদের প্রয়োজন ছিল, সেই প্রয়োজনের সময় আমাদের কাছে আশ্চর্যপ্রদীপ হয়ে এসেছিলেন গৌতম আদানি। ফলে আমরা ঋণমুক্ত হতে পেরেছিলাম। কোনও চাপে আমরা মুম্বই বিমানবন্দর হস্তান্তর করিনি। আর অন্যান্য দিক নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কারণ আমি রাজনীতি হোক, চাই না।












Click it and Unblock the Notifications