বিদ্যুৎ ব্যয়বহুল হওয়ার পিছনে আদানি! ৩২ হাজার কোটির কেলেঙ্কারির অভিযোগ রাহুল গান্ধীর
ফের একবার রাহুল গান্ধীর নিশানায় আদানি গোষ্ঠী। এবার ৩২ হাজার কোটির কেলেঙ্কারির অভিযোগ। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, আদানির কারণেই বিদ্যুৎ ব্যয়বহুল হয়েছে। ওয়ানাডের কংগ্রেস সাংসদ বলেছেন, আদানিজি ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা কেনেন এবং ভারতে তার দাম দ্বিগুণ।
রাহুল গান্ধী বলেছেন, মানুষ বিদ্যুৎ চালু করলই টাকা চলে যায় আদানির পকেটে। তাঁর অভিযোগ, দেশের প্রধানমন্ত্রী আদানিকে সুরক্ষিত করেছেন। তিনি বলেছেন, আদানিকে একটি ফাঁকা চেক দেওয়া হয়েছে। তিনি যা খুশি তাই করতে পারেন। লোকেদের মনে রাখা উচিত ৩২ হাজার কোটির অঙ্ক। আর কেন প্রধানমন্ত্রী আদানির তদন্ত করেন না, তা এখান থেকে পরিষ্কার!

আদানির সঙ্গে শারদ পাওয়ারের ঘনিষ্ঠতা সম্পর্কে সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে রাহুল গান্ধী বলেছেন, শারদ পাওয়ার দেশের প্রধানমন্ত্রী নন। তিনি আদানিকে রক্ষা করছেন না। তাই তিনি শারদ পাওয়ারকে আদানি সম্পর্কে প্রশ্ন করেন না বলে জানিয়েছেন। শারদ পাওয়ার যদি প্রধানমন্ত্রী হন এবং আদানিকে বাঁচানোর চেষ্টা করেংন, তাহলে তাঁকে একই প্রশ্ন করবেন বলে জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী।
সংবাদ মাধ্যমের সামনে প্রশ্ন তুলে রাহুল গান্ধী বলেছেন, কয়লার ভুল দাম দেখিয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে জনগণের কাছ থেকে ইতিমধ্যেই ১২ হাজার কোটি টাকা আদায় করেছে আদানি। আর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পিছনেও রয়েছে আদানি। এটা আশ্চর্যজনক যে মিডিয়া এ নিয়ে প্রশ্ন তোলে না। তিনি বলেছেন, কর্নাটক ও রাজস্থানে যখন ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে, আদানি তখন দাম বাড়াচ্ছে। এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নীবর এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কয়লার দাম নিয়ে ফিনান্সিয়াল টইমসের রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এদিন মোদী সরকারকে নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, গৌতম আদানি কয়লার ভুল দাম দেখিয়ে এবং মিথ্যা বিল দেখিয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications