ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়া যা করেছে ভারতের সঙ্গেও তাই করতে চাইছে চিন, বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর
ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়া যা করেছে ভারতের সঙ্গেও তাই করতে চাইছে চিন, বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর
ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়া যা করছে। ভারতের সঙ্গেও চিন সেটাই করতে চাইছে। অর্থাৎ রাশিয়া যে সমীকরণে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে সামিল হয়েছে সেভাবেই চিন লাদাখ ইস্যুতে এগোতে শুরু করেছে। এমনই দাবি করেছেন রাহুল গান্ধী। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এতদিন মোদী সরকারের বিদেশ নীতি নিয়ে সরব হয়েছিেলন রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেছিেলন মোদী সরকারের বিদেশনীতির কারণেই চিনের সঙ্গে এই সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এতদিন এটা ছিল না বলেই দাবি করেছিেলন তিনি।

চিন যে রাশিয়ার মতই লাদাখ-অরুণাচল নিয়ে এগোচ্ছে তা স্বীকার করতে চাইছে না মোদী সরকার। এমনই অভিযোগ করেছে রাহুল গান্ধী। রাহুল গান্ধী বলেছেন ইউক্রেনের সঙ্গে এই সীমান্ত নিয়েই সংঘাতে জড়িয়েছিল রাশিয়া। সেই থেকেই যুদ্ধের সূত্রপাত। ইউক্রেনের ডোনেটাস্ক এবং লোহানেস্ক এই দুিট জায়গা নিয়েই রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের বিবাদ বেধেছিল। তার পরিণতি যুদ্ধ। চিনও ঠিক লাদাখ এবং অরুণাচল প্রদেশকে নিয়ে একই ভাবে ড়াই চািলয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মোদী সরকার সেটা মেনে নিতে চাইছে না।

রাশিয়া -ইউক্রেনের পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয় ভারতে তার জন্য চিনকে -পাকিস্তানকে দূরে রাখার চেষ্টা করা উচিত বলে জানিয়েছেন তিিন। চিন যে কোন পরিকল্পনায় এগোচ্ছে বুঝতে পারছে না মোদী সরকার। না হলে বুঝেও চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে। এখনই এই নিয়ে সচেতন না হলে পরে বড় সমস্যায় পড়তে হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য চিন গত ২ বছর ধরে লাদাখ নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে। লাদাখ সীমান্তে পাহারা নিয়ে দুই দেশের সেনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে হয়েছে। তাতে ভারতের একাধিক সেনা শহিদ হয়েছে। চিনেরও অনেক সেনা মারা গিয়েছি। সেই সমস্যার সমাধান এখনও হয়নি। ১৮ দফায় আলোচনা সারা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তারপরেও সীমান্ত সমস্যা মেটেনি। এখনও দফায় দফায় কূটনৈতিক আলোচনা চলছে দুই দেশের মধ্যে। কিন্তু তারপরেও সমস্যা মেটেনি। কয়েকদিন আগে অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয়কে অপহরণ করেছিল চিনা ফৌজ অনেক আলোচনার পরেই
সেই ভারতীয় যুবককে ছাড়া হয়।
কয়েকদিন আগে অরুণাচল প্রদেশেরকে নিজের মানচিত্রে নিজের বলে দাবি করেছিল বেজিং। নতুন মানচিত্রে দেখা গিয়েছে অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ। কিন্তু ভারত তাতে বারবার দাবি করেছে অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্দ অংশ এখানে বাইরের কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। লাদাখ নিয়ে আগেও এই কথাই বলেছে ভারত। বিরোধীরা বারবারই চিনের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুেলছেন। মোদী সরকার চিনের অবস্থানকে গোপন করার চেষ্টা করছে। চিন ভারতের ভূখণ্ডে পা রেখেছে সেই তথ্য গোপন করছে মোদী সরকার। এই নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য দাবি করেছিেন রাহুল গান্ধীরা। গত ২ বছর ধরেই এই নিয়ে টানা পোড়েন চলছে।












Click it and Unblock the Notifications